পানিসাগরে কৃষি স্বর্ণ সমৃদ্ধি সপ্তাহ, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় রাজ্যের কৃষকরা তাদের আয় বাড়াতে সক্ষম হবেন : কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫: কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় রাজ্যের কৃষকরা তাদের আয় বাড়াতে সক্ষম হবেন। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র কৃষকদের সার্বিক বিকাশের একটি প্রতিষ্ঠান। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের কৃষি বিজ্ঞানীরা রাজ্যের কৃষকদের উন্নত ফলন পেতে সব সময় সহযোগিতা করছেন। আজ পানিসাগরে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে কৃষি স্বর্ণ সমৃদ্ধি সপ্তাহ উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী কৃষি বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ ও কৃষকদের আত্মনির্ভর করে তুলতে এধরণের মেলা সহায়ক ভূমিকা নেবে৷ অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনায় পিগ ডেমোনস্ট্রেশন ইউনিটের শিলান্যাস করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ, বিধায়ক বিনয়ভূষণ দাস, বিধায়ক যাদবলাল নাথ, বিধায়ক ফিলিপ কুমার রিয়াং, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক ড. এ কে মহান্তি, উদ্যানপালন ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের অধিকর্তা পি বি জমাতিয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। কৃষকদের কল্যাণে কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ রাজ্যের প্রান্তিক জনপদের কৃষকদের কাছেও পৌছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, রাজ্যে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আগামী ৩ বছরের মধ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলাকে কৃষিক্ষেত্রে একটি অগ্রণী জেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন। কৃষি বিজ্ঞান মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন স্বসহায়ক দলের স্টল খোলা হয়। কৃষিমন্ত্রী ও অন্যান্য অতিথিগণ স্টলগুলি পরিদর্শন করেন৷ অনুষ্ঠানে কৃষকদের মধ্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, উন্নত বীজ ও চারা বিতরণ করা হয়। তাছাড়াও অনুষ্ঠানে ৫ জন কৃষককে কৃষক সম্মান দেওয়া হয়।

Recent Posts

গোমতী নদীর জল ব্যবহার করে আগরতলায় প্রস্তাবিত, জল সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী দিনের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে সারা রাজ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণে মিশন মোডে কাজ করতে হবে