অনলাইন ডেস্ক, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫: ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে ত্রিপুরা ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই তিনটি ক্ষেত্রেই সর্বভারতীয় স্তরে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা তাদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। তবে এটা ঘটনা ড্রাগের নেশা রাজ্যের যুব সমাজের একটি অংশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের সবার সংকল্প নিতে হবে যে আমরা নেশা থেকে মুক্ত থাকব, অন্যকেও নেশার গ্রাস থেকে মুক্ত করব। আজ সন্ধ্যায় উমাকান্ত ফুটবল স্টেডিয়ামে ভগবান বিরসা মুন্ডা ফুটবল প্রতিযোগিতার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিঙ্কু রায় একথা বলেন। এই প্রতিযোগিতায় মেয়েদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে গোমতী জেলা। তারা সিপাহীজলা জেলাকে ৮-০ গোলে পরাজিত করেছে। ছেলেদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ান হয়েছে গোমতী জেলা।
তারা দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে। জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে ৪ দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, নেশার হাত থেকে যুব সমাজকে মুক্ত করার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি গত ৩ বছরে ক্রীড়া ক্ষেত্রে রাজ্যের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, জনজাতি অংশের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় আগ্রহী। সুযোগ সুবিধা পেলে তারা তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারবে। আমরা সারা রাজ্যে ক্রীড়া পরিকাঠামোর বিকাশ ঘটাতে কাজ করছি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই কিল্লা, টাকারজলা, খোয়াইয়ে স্পোর্টস তৈরী করার কাজ শুরু হয়েছে।
তাতে ব্যয় হবে প্রায় ২৭ কোটি টাকা। স্কুল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা এস বি নাথ, ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি অমিত চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা সুভাশিস দাস। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে অতিথিগণ বিজয়ী দল, ছেলে ও মেয়ে বিভাগে সেরা ফুটবলার, ম্যান অব দা ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ গোলদাতাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।









