কাঞ্চনপুর মহকুমা ভিত্তিক পুস্প প্রদর্শনী ও কৃষক সম্মেলন, সরকারের লক্ষ্য চাহিদা অনুযায়ী কৃষিজ ফসল উৎপাদনে রাজ্যকে স্বনির্ভর করা : কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫: রাজ্যে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির উপর অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য চাহিদা অনুযায়ী কৃষিজ ফসল উৎপাদনে রাজ্যকে স্বনির্ভর করা। আজ উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুরে মহকুমা ভিত্তিক পুস্প প্রদর্শনী ও পিঠা মেলা এবং কৃষক সম্মেলনের উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন।

কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে কাঞ্চনপুরের সৎসঙ্গ আশ্রম সংলগ্ন স্থানে দু’দিনব্যাপী এই পুস্প প্রদর্শনী, পিঠা মেলা ও কৃষক সম্মেলন আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ফিলিপ কুমার রিয়াং, ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য ভবরঞ্জন রিয়াং, এমডিসি শৈলেন্দ্র চন্দ্ৰ নাথ, এমডিসি স্বপ্না রাণী দাস, সমাজসেবী অরুণ নাথ, কৃষি দপ্তরের উপ অধিকর্তা মনোজিৎ মজুমদার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি দপ্তরের সুপারিনটেনডেন্ট অব এগ্রিকালচার কবীর দেববর্মা। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন দশদা বিএসি’র কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সুরেশ রিয়াং। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। কোন জমিকে পতিত ফেলে রাখা যাবেনা। কোন না কোন ফসল জমিতে চাষ করতেই হবে। বাড়াতে হবে উৎপাদন। এর জন্য আধুনিক কৃষিজ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে চাষ করতে হবে।

আমাদের আত্মনির্ভর হতে হবে। উল্লেখ্য, এদিনের পুস্প প্রদর্শনী ও পিঠা মেলায় প্রায় ৪০টি প্রদর্শনী স্টল খোলা হয়। বিভিন্ন প্রকার সব্জী ও ফুল প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও স্বসহায়ক দলের সদস্যগণ বিভিন্ন স্টলে রকমারি পিঠার পসরা নিয়ে হাজির হয়েছেন। অনুষ্ঠানে দু’জন কৃষককে সাবসিডিতে ১টি করে পাওয়ার টিলার ও অন্যান্য কৃষকদের বিভিন্ন সাবসিডিতে বিভিন্ন কৃষিজ যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়।

Recent Posts

গোমতী নদীর জল ব্যবহার করে আগরতলায় প্রস্তাবিত, জল সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী দিনের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে সারা রাজ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণে মিশন মোডে কাজ করতে হবে