হর ঘর তিরঙ্গা: জিরানীয়ায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে: পর্যটনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৩ আগস্ট, ২০২৬: ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকে সামনে রেখে এবং ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আজ জিরানীয়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ও জিরানীয়া ব্লকের সহযোগিতায় এক বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জিরানীয়া কলেজ চৌমুহনীস্থিত স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশ থেকে র‍্যালিটির সূচনা হয়। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা দেশাত্মবোধক স্লোগান ও উদ্দীপনাময় পরিবেশের মধ্য দিয়ে র‍্যালিতে অংশ নেন। র‍্যালিটি জিরানীয়া ব্লক চৌমুহনী হয়ে জিরানীয়া ব্লক কার্যালয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

সমগ্র র‍্যালিতে জুড়ে জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা ও দেশের প্রতি ভালোবাসার এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, পরিবহণ ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান প্রীতম দেবনাথ, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন কুমার দাস, রানীরবাজার পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়ার মহকুমাশাসক অনিমেষ ধর, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুধীর কুমার, জিরানীয়া ব্লকের বিডিও তুষার আলম সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন স্ব-সহায়ক দলের সদস্য, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, সমাজসেবী রণজিৎ রায় চৌধুরী সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, তিরঙ্গা শুধুমাত্র একটি জাতীয় পতাকা নয়, এটি ভারতের গৌরব, ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ঘরে জাতীয় পতাকার মর্যাদা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের স্বাধীনতার জন্য যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। তিরঙ্গা র‍্যালির মতো কর্মসূচি সেই দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমকে আরও সুদৃঢ় করে।

Recent Posts

ঊনকোটি জেলায় ৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মুখ্যমন্ত্রী, শান্তি ও সুস্থ পরিবেশের কারণে ত্রিপুরায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে