সুস্থায়ী উন্নয়নের ধারণাটি ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যেই নিহিত : উপরাষ্ট্রপতি

নয়াদিল্লি, ৬ নভেম্বর : ভারতের চিরাচরিত প্রজ্ঞায় সর্বদা প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করেছেন উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন। এদিন নতুন দিল্লিতে আয়োজিত ‘ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানি শীর্ষ সম্মেলন ও প্রদর্শনী’-র সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, সুস্থায়ী উন্নয়নের ধারণাটি ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে এবং বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনেছে।

ভারতের প্রাপ্তিগুলির কথা তুলে ধরে উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন জানান, দেশে জীবাশ্ম জ্বালানি-বহির্ভূত উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৩০০ গিগাওয়াট অতিক্রম করেছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত প্রতিশ্রুতিগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে বাধা নয়, বরং ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এগুলো অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। উপরাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ক্ষেত্র সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, শিল্পক্ষেত্রে ব্যয় হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জ্বালানি আমদানির খরচ কমাতে অবদান রাখছে। উপরাষ্ট্রপতি ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ, ভূ-তাপীয় শক্তি এবং জ্বালানি সঞ্চয় প্রযুক্তির মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোর ওপরও আলোকপাত করেন। তিনি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষক এবং স্টার্টআপগুলোর মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানান।