অনলাইন ডেস্ক, 0৪ জুন 2024: রাজ্য সরকার কৃষকদের কল্যাণে কাজ করছে। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতেও কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার শুরু থেকেই কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছে। এ সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যেও কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
আজ কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতি হলে মিধিলি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী সুধাংশু দাস একথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষির বিকাশ ও কৃষকের কল্যাণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করা। অনুষ্ঠানে কুমারঘাট মহকুমার ৪,০৪৫ জন কৃষককে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ডে কৃষকদের এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সহায়তা হিসেবে সুবিধাভোগী কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১১৯.২২২৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী কুমারঘাট মহকুমাভিত্তিক খারিফ অভিযান ২০২৪-এর সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে জবা কৃষি স্বসহায়ক দলকে পাওয়ারটিলার, মিনি পাওয়ারটিলার সহ কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যের কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য সরকার কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করতে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়কমূল্যে ধান ক্রয় করছে। কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতেই রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে৷
তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে রাজ্যে কৃষির পাশাপাশি কৃষি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র প্রাণীপালন ও মৎস্যপালনে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুমতি দাস। উপস্থিত ছিলেন ঊনকোটি জিলা পরিষদের কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি শুভেন্দু দাস, কুমারঘাট বিএসির চেয়ারম্যান তপনজয় চাকমা, কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান মিলন দে, উদ্যানপালন ও ভূমি সংরক্ষণ দপ্তরের উপঅধিকর্তা বিদ্যামোহন চাকমা, কুমারঘাট কৃষি মহকুমার কৃষি তত্ত্বাবধায়ক সমীরণ দাস প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি ও কৃষক কল্যাণ কার্যালয়ের উপঅধিকর্তা সৌমেন নন্দী।









