অনলাইন ডেস্ক, ০৫ অগাস্ট, ২০২৪: রাজ্যের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে পরিবেশ বান্ধব ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তুলতে জেলা ও তৃণমূলস্তরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির চিকিৎসকদের নিয়ে আজ আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়৷ রাজ্যস্তরের প্রশিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে।
কর্মশালার উদ্বোধন করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, কায়াকল্পে সংশোধিত নির্দেশিকা-2024 ও ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির জাতীয় গুণমান নিশ্চিতকরণ মানদন্ডের (NQAS) উপর এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। আগামীদিনে প্রশিক্ষকদের আরও বেশি করে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে৷ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির গুণগতমান বজায় রাখার উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ভারত সরকার ‘কায়াকল্প’ চালু করেছে। কায়াকল্পের নির্দেশিকাগুলিতে কিছু সংশোধন করা হয়েছে। নতুন সংশোধিত নির্দেশিকাগুলি নিয়ে কর্মশালায় জেলা নোডাল অফিসার, অভ্যন্তরীণ / বহিরাগত মূল্যায়নকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
তাছাড়াও ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির গুণগতমান নিশ্চিতকরণ মানদন্ডের (NQAS) উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। রাজ্যে ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির স্থাপনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে৷ ইতিমধ্যে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা ও ধলাই জেলায় সফলভাবে ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরি স্থাপিত হয়েছে ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
রাজ্যের জনস্বাস্থ্য সেবা আরও ত্বরান্বিত করতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আরও ৩টি ইন্টিগ্রেটেড পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যে পরিবেশ বান্ধব স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আজ ধলাই, দক্ষিণ, পশ্চিম ও গোমতী জেলাকে কায়াকল্প ও পরিবেশ বান্ধব পুরস্কার দেওয়া হয়৷
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকারের অধিকর্তা ডা সঞ্জীব দেববর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের রাজ্যের মিশন অধিকর্তা রাজীব দত্ত ও বহির্রাজ্য থেকে আগত রিসোর্সপার্সনগণ। রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানিয়েছেন।









