অনলাইন ডেস্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর,২০২৪: পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলার নবজাগরণের এক প্রধান ব্যক্তিত্ব৷ তাঁর কর্মধারা আমাদের দেশের নারী শিক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। আজ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের ২ নং হলে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রাজ্যভিত্তিক জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার একথা বলেন৷
বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ অনুষ্ঠানে মেয়র ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন দর্শন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, নানা রকম সামাজিক কুসংস্কার ও কুপ্রথার বিরুদ্ধে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। নারী শিক্ষার প্রসারে তার অবদান ছিল অপরিসীম৷
অনুষ্ঠানে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্মধারা নিয়ে বক্তব্য রাখেন রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী, ইগনৌর আগরতলার আঞ্চলিক পরিচালক ড. অরবিন্দ মাহাতো এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমগ্র শিক্ষা অধিকর্তা এন সি শর্মা৷
অনুষ্ঠানে মেয়র দীপক মজুমদার সহ অতিথিগণ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এদিকে, আজ সকালে অরুন্ধতীনগর ড্রপগেইটে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়৷
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি বলাই গোস্বামী, আগরতলা পুরনিগমের কর্পোরেটর স্বপ্না সরকার, কর্পোরেটর অলক রায়, রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে অতিথিগণ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মর্মর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।









