বইমেলার সপ্তমদিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫: ৪৩তম আগরতলা বইমেলার গতকাল ছিল সপ্তম দিন৷ সপ্তমদিনে বইমেলা প্রাঙ্গণের দ্বিতীয় মুক্তমঞ্চে বিকালের অনুষ্ঠানে আয়োজিত কবি সম্মেলনে দক্ষিণ ত্রিপুরা ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার ৮৩ জন কবি স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। এই মঞ্চের সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে ‘আশাপূর্ণাদেবীর উপন্যাস ও বর্তমান সময়’ বিষয় নিয়ে এক মনোজ্ঞ আলোচনাচক্র অনুষ্ঠিত হয়। ড. রাজেশ ভট্টাচার্য, ডা. রাজীব ঘোষ ও লেখিকা সুদেষ্ণা চক্রবর্তী এই আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনাচক্রটি পরিচালনা করেন ডা. সন্দীপ দেব। আলোচনাচক্র শেষে এই মঞ্চে মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকে দর্শক ও শ্রোতাদের জন্য ক্যুইজ এবং একটি সামাজিক সচেতনতামূলক নাটক ‘রঙ্গনার গায়ে হলুদ’ মঞ্চস্থ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান ঝর্ণা দেববর্মণ, আগরতলা পুর নিগমের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, মহিলা কমিশনের মেম্বার সেক্রেটারি মাধব পাল ও সদস্যা রত্না দেবনাথ কর।

অন্যদিকে বইমেলা প্রাঙ্গণের ১নং মঞ্চে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল অনুষ্ঠিত হয় আদি শংকরাচার্য মঞ্চে। এই মঞ্চে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। ড. মন্দাক্রান্ত রায়ের ভারতনাট্যম পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জেলার শিল্পীগণ তাদের আজকের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। জেলার তিনজন উদীয়মান শিল্পী একক সংগীত পরিবেশন করেন। মঞ্চস্থ হয় নাটক ‘রাঙ্গামাটি’। পঞ্চকবির সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী অনামিকা রায় ও নয়নিকা দাস। এছাড়াও তিনজন শিল্পী একক সংগীত পরিবেশন করেন।

এই মঞ্চে অনুষ্ঠিত জনজাতির অনুষ্ঠানেও সিয়ারি দেববর্মা, গঙ্গা দেববর্মা ও অমিতাভ দেববর্মা একক সংগীত ও হুজুলা হুকুমু বদল সংস্থার শিল্পীগণ সমবেত জনজাতি লোক সংগীত পরিবেশন করেন। বর্ধমান ঠাকুরপাড়া লোকরঞ্জন শাখার জনজাতি শিল্পীগণ লেবাং বুমানি নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়াও বিশ্বমৈত্রী সংস্কৃতি পরিবার ও কুঁড়েঘর সাংস্কৃতিক সংস্থার শিল্পীগণ এইমঞ্চে সমবেত সংগীত এবং ঝুমুর ড্যান্স একাডেমি ও কলাধারা সংস্থার শিল্পীগণ সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী দীপক দে, শ্রাবন্তী চক্রবর্তী, গৌরব রায় বর্মণ।

Recent Posts

গোমতী নদীর জল ব্যবহার করে আগরতলায় প্রস্তাবিত, জল সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী দিনের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে সারা রাজ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণে মিশন মোডে কাজ করতে হবে