তিনদিন ব্যাপী রাজর্ষি উৎসবের উদ্বোধন, উদয়পুর শহরকে সাংস্কৃতিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ : আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্থানগুলির উন্নয়নও করতে হবে। ভুবনেশ্বরী মন্দির একটি ঐতিহাসিক স্থান। প্রতিবছর ভুবনেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে তাই রাজর্ষি উৎসবের আয়োজন করা হয়। আজ সন্ধ্যায় উদয়পুরের রাজনগরে তিনদিন ব্যাপী ২০তম রাজর্ষি উৎসবের উদ্বোধন করে একথা বলেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায়।

উৎসবের উদ্বোধন করে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলির মধ্যে রাজর্ষি উৎসব অন্যতম। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এখানে একটি আধুনিক পার্ক নির্মাণ করে মন্দির প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তোলার। উদয়পুর শহরকে সাংস্কৃতিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। কিছু দিনের মধ্যেই ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের উন্নয়নের কাজ শেষ হবে। উদয়পুর একসময় এই রাজ্যের রাজধানী ছিল। দীঘিগুলিসহ উদয়পুর শহরকে সাজিয়ে তোলার কাজও চলছে। উদয়পুরের উন্নয়নে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পদ্মশ্রী, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক অরুনোদয় সাহা বলেন, উদয়পুর হল সাংস্কৃতিক রাজধানী। তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ত্রিপুরার রাজাদের আন্তরিক সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক বিনয় ভূষণ দাস। সভাপতিত্ব করেন উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতলচন্দ্র মজুমদার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার, মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস, উদয়পুর মহকুমার মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার সহ বিশিষ্ট জনেরা। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন দপ্তর প্রদর্শনী মন্ডপ খুলেছে। আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। এই মেলা ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

Recent Posts

গোমতী নদীর জল ব্যবহার করে আগরতলায় প্রস্তাবিত, জল সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী, আগামী দিনের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে সারা রাজ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণে মিশন মোডে কাজ করতে হবে