অনলাইন ডেস্ক, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রজ্ঞা ভবনে ওষুধের গুণমান পরীক্ষা, প্রক্রিয়া এবং ভেজাল ওষুধ প্রতিরোধে আইনের সঠিক প্রয়োগ এর উপর একদিনের একদিনের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ওষুধ নিয়ামক, ইন্সপেকটিং অফিসার, জুনিয়ার সাইন্টিফিক অফিসার, কেমিস্ট এবং ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিবৃন্দ ও অন্যান্য আধিকারিক সহ দিল্লি থেকে আগত দুই জন প্রশিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত কর্মশালায় ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার কাঞ্চন সিনহা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন বাজারে ভেজাল ওষুধ আছে কিনা তা বোঝার একমাত্র উপায় ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করা। এই ধরনের ওষুধের নমুনা পরীক্ষার জন্য রাজ্যে স্টেট ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরি কেন্দ্র রয়েছে। এই সেন্টারটিকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে ওষুধের গুণগত পরীক্ষা আরো বেশী মাত্রায় করা যায় এবং ওষুধ টেস্টিং কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি দুইটিই বাড়ানো যায়।
তিনি জানান এজন্য ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিকে এনএবিএল এক্রিডিশনের কাজ চলছে। এনএবিএল অনুমোদন পেলে উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে এই প্রযুক্তি সম্পন্ন প্রথম রাজ্য হবে ত্রিপুরা। কর্মশালায় উপস্থিত আধিকারিকগণ আলোচনা করতে গিয়ে আরো জানান যে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সমস্যার জন্য ওষুধের দোকান থেকে নিজেরাই ওষুধ ক্রয় করে খাচ্ছেন।
কিন্তু ওষুধ কেনার সময় এটা কোন সময় চিন্তা করেন না যে, সেটা ওষুধ না বিষ কিনে খাচ্ছেন। যারা ভেজাল ওষুধ প্রস্তুত করেন তাদের বিরুদ্ধে কিভাবে ব্যবস্থা নেয়া যায় সেই ব্যাপারে এই কর্মশালায় নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বিষয়ে ভেজাল ও নকল ঔষধ চিহ্নিত করার জন্য দিল্লি থেকে বিশেষজ্ঞরা রাজ্যের ড্রাগস পরীক্ষকদের প্রশিক্ষিত করবেন। তাছাড়া ভেজাল ঔষধ প্রস্তুতকারকদের বিরুদ্ধে কিভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে।
তাছাড়া চিকিৎসকদেরও গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধ সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করা উচিত বলে জানান। বর্তমানে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি সরাসরি ওষুধের নমুনা পাঠিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকদের কাছে। তবে ওষুধের গুণমান সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে রোগীদেরকে সেই ওষুধ প্রয়োগ করা উচিত নয়। এর জন্য টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে ওষুধের নমুনা পাঠানো উচিত। ওষুধের গুণমান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার পরই চিকিৎসকদের এই ওষুধ প্রয়োগ করা উচিত বলে তিনি জানান। উক্ত কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা প্রফেসর (ডাঃ)সঞ্জীব কুমার দেববর্মা সহ দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।









