জম্পুইহিলের ভাঙমুনে ত্রিপুরা ট্যুরিজম প্রোমো ফেস্টের তৃতীয় ইভেন্ট, পর্যটন শিল্পের বিকাশে রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র : পর্যটন মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪: রাজ্যের পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। রাজ্যের পর্যটনকে সমগ্র বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রিপুরা ট্যুরিজম প্রোমো ফেস্ট-2024৷

এই প্রোমো ফেস্টের প্রথম ও দ্বিতীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় নারিকেলকুঞ্জ ও নীরমহলে৷ আজ উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুর মহকুমার জম্পুইহিলের ভাঙমুনে ত্রিপুরা ট্যুরিজম প্রোমো ফেস্টের তৃতীয় ইভেন্টের উদ্বোধন করে পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। ট্যুরিজম প্রোমো ফেস্টের উদ্বোধন করে পর্যটন মন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকদের রাজ্যে আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিরও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশে রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে হোম স্টে’র সুযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের জম্পুইহিলই একমাত্র হিল স্টেশন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে কাজে লাগিয়ে জম্পুইহিলে পর্যটনের উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে৷

অনুষ্ঠানে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা জম্পুইহিলে এ ধরণের উৎসবের আয়োজন করায় পর্যটন দপ্তরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জম্পুইহিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে৷ অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ রাখেন পর্যটন দপ্তরের সচিব ইউ কে চাকমা৷ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জম্পুইহিল বিএসি’র চেয়ারম্যান বিধায়ক চুংনুংগা৷ উৎসবে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ, বিধায়ক ফিলিপ কুমার রিয়াং, বিধায়ক প্রমোদ রিয়াৎ, এডিসি’র কার্যনির্বাহী সদস্য ভবরঞ্জন রিয়াং, এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং, এমডিসি শৈলেন্দ্র নাথ, লালজুরি বিএসি’র চেয়ারম্যান অজন্ত কুমার চৌধুরী, পর্যটন দপ্তরের অধিকর্তা প্রশান্ত বাদল নেগী, উত্তর ত্রিপুরা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক এল দারলং, কাঞ্চনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক ড. দীপক কুমার প্রমুখ। উৎসবে রাজ্যের বিশিষ্ট শিল্পী সহ স্থানীয় শিল্পীরা সঙ্গীত, চেরোনৃত্য, হজাগিরি নৃত্য পরিবেশন করেন।

Recent Posts