অনলাইন ডেস্ক, ২০ আগস্ট, ২০২৬: জম্পুইজলা মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের উদ্যোগে গতকাল জম্পুইজলা বুখুরুই কমিউনিটি হলে
আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের ১১৮ তম জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে বিধায়ক বিশ্বজিৎ কলই বলেন, মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর ত্রিপুরার একজন শুধু মহারাজা ছিলেন না। তিনি ছিলেন আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার। শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর দুরদর্শী চিন্তাভাবনা আজও আমাদের অনুপ্ররণা দেয়। তিনি বর্তমান প্রজন্মকে মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের আদর্শ, চিন্তাধারা ও মহানুভবতা অনুসরন করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রক্তন বিধায়ক তথা জম্পুইজলা বিএসি’র চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র কিশোর দেববর্মা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এডিসি’র সিপাহীজলা জোনাল উন্নয়ন কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুদেব দেববর্মা, জম্পুইজলা বিদ্যালয় পরিদর্শক অশোক দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবী অর্জুন দেববর্মা, রবীন্দ্র দেববর্মা, সিপাহীজলা জেলার সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শচীন কলই প্রমুখ। অনুষ্ঠানের জম্পুইজলা মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সংগীত, নাটক একাডেমির পুরস্কার প্রাপ্ত শিল্পী সূর্য কুমার দেববর্মা ওরফে সদাগর দেববর্মাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগে অতিথিগণ মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীগণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।
দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের ১১৮ তম জন্মজয়ন্তী গতকাল সাব্রুমের সাতচাঁদ কমিউনিটি হলে পালন করা হয়। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদ, সাতচাঁদ পঞ্চায়েত সমিতি এবং সাবুম নগর পঞ্চায়েতের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত বলেন, মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য বাহাদুর আধুনিক ত্রিপুরার রূপকার ছিলেন। তাঁর শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ, সংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নের চিন্তাধারা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর আধুনিক ত্রিপুরা গড়ার প্রয়াস আমাদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, তাঁর আদর্শকে পাথেয় করে সমাজ ও রাজ্যের উন্নয়নে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে বিধায়ক মাইলায়ু মগ বলেন, সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসারে মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুর একজন দূরদর্শী রাজা ছিলেন, শিক্ষা বিস্তার, কৃষির উন্নয়ন এবং ত্রিপুরার আধুনিকীকরণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতচাঁদ পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান প্রভাস লোধ, সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রমা পোদ্দার দে, সাব্রুম মহকুমার মহকুমা শাসক সুমন রক্ষিত প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ অধিকর্তা মনোজ দেববর্মা। অনুষ্ঠানে কৃষি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য চাথাইফ্লু মগ, শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য রতন চক্রবর্তী এবং সংস্কৃতি চর্চায় বিশেষ অবদানের জন্য জানু মগকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। অতিথিগণ বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে অতিথিগণ মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।








