শান্তিপূর্ণভাবে ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের ভোট গণনার জন্য পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ

অনলাইন ডেস্ক, ০২ অক্টোবর, ২০২৬: টিটিএএডিসি-এর অন্তর্গত ভিলেজ কমিটির সাধারণ নির্বাচনের ভোট গণনা আগামী ৫ অক্টোবর, ২০২৬ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন নির্ধারিত গণনা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ধারা ১৬৩ অনুযায়ী যানবাহন এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। এই বিধিনিষেধ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সর্বত্র ৫ অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং ভোট গণনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জেলাশাসক আদেশে জানিয়েছেন, টিটিএএডিসি-এর অধীন ভিলেজ কমিটির নির্বাচন, ২০২৬-এর ভোট গণনার জন্য স্থাপিত স্ট্রং রুম এবং গণনা হলের বাইরের পরিধি থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির কোনও জমায়েত করা যাবে না। একসঙ্গে তিনটির বেশি যানবাহনের (চার-চাকার যানবাহন) কনভয় / শোভাযাত্রা চলাচল করতে পারবে না।

কোনও দুই-চাকার যানবাহনে পিলিয়ন রাইডিং (পিছনের আসনে যাত্রী বহন) করা যাবে না। ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, বাঁশের টুকরো, কাঠের ফাইল / লাঠি, রড, জিআই পাইপ, মোবাইল ফোন (অনুমোদিত না হলে) ইত্যাদি বহন করতে কাউকে অনুমতি দেওয়া হবে না। বিশেষ করে ২ ফুটের বেশি দৈর্ঘ্য ও ১ ইঞ্চি ব্যাসের এমন কোনও বস্তু, যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে তা বহন করা যাবে না। জেলাশাসক আদেশে জানিয়েছেন, উপরোক্ত নিষেধাজ্ঞাগুলি কার্যকর করার জন্য জেলার / রাজ্য সরকারের সামরিক বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি মোবাইল পেট্রোলিং, স্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন এবং জেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল প্রবেশ / প্রস্থান পথে চেকপোস্ট / ড্রপ গেট স্থাপন করে যানবাহন পরীক্ষা করতে পারবে। আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি ইত্যাদি বহনের উপরোক্ত নিষেধাজ্ঞা সামরিক বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা, অথবা নির্বাচনী দায়িত্বে কিংবা সাধারণ সরকারি দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারি বা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এই আদেশ লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর ধারা ২২৩ অনুযায়ী বিচারের / আইনি ব্যবস্থার সম্মুখীন হবেন।

Recent Posts

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তর-পূর্ব ভারতের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে