আগরতলা পুর নিগম নির্বাচনে ৪৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, প্রকাশিত তালিকায় একাধিক মহিলা মুখ

৪ নভেম্বর: আসন্ন আগরতলা পুর নিগম নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে। নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এগিয়ে এসে ৪৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। গত ৩ নভেম্বর বিজেপির ত্রিপুরা প্রদেশের রাজ্য কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত তালিকায় ১ থেকে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে মোট ৪৫টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম স্থান পেয়েছে। তালিকায় পুরুষদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। সংরক্ষিত আসনগুলির বিষয়টিও বিবেচনায় রেখে প্রার্থী বাছাই করেছে দল। তবে কয়েকটি ওয়ার্ডের প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

বিজেপির ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রণজিৎ সরকার, ২ নম্বরে সরমিষ্ঠা বর্ধন, ৩ নম্বরে জগদীশ দাস, ৪ নম্বরে সুজাতা দাস এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পাপিয়া চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ৬ নম্বরে মিঠুন দাস বৈষ্ণব, ৭ নম্বরে জয়া ধানুক, ৮ নম্বরে সম্পা সেন সরকার, ৯ নম্বরে পিঙ্কি ঘোষ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বিশ্বজিৎ রায়কে প্রার্থী করা হয়েছে।

এছাড়া ১১ নম্বরে শান্তি চৌহান, ১৩ নম্বরে প্রদীপ চন্দ, ১৪ নম্বরে স্নিগ্ধা দাস দেব, ১৫ নম্বরে নিবাস দাস, ১৬ নম্বরে পিনাকী চক্রবর্তী, ১৭ নম্বরে শিখা ব্যানার্জি, ১৮ নম্বরে নারায়ণ দে, ২০ নম্বরে রত্না দত্ত এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডে পেমাশিস সাহার নাম রয়েছে।

অন্যদিকে ২৩ নম্বরে মণি মুক্তা ভট্টাচার্য, ২৪ নম্বরে সুখময় সাহা, ২৫ নম্বরে সীমা দেবনাথ, ২৬ নম্বরে অর্জুন দাস, ২৭ নম্বরে বিধান নম, ২৮ নম্বরে নন্দদুলাল দেবনাথ, ২৯ নম্বরে রুমা দাস, ৩০ নম্বরে অলপনা দাস, ৩১ নম্বরে অঞ্জনা দাস, ৩২ নম্বরে সঞ্জয় সাহা, ৩৩ নম্বরে অভিজিৎ মল্লিক এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে তুষার কান্তি ভট্টাচার্যকে মনোনয়ন দিয়েছে দল।

তালিকার বাকি প্রার্থীরা হলেন—৩৬ নম্বরে নিতু দে গুপ্ত, ৩৭ নম্বরে বাপি দাস, ৩৮ নম্বরে মণি দাস, ৩৯ নম্বরে অলক রায়, ৪০ নম্বরে সম্পা সরকার চৌধুরী, ৪২ নম্বরে শিপ্রা শীল, ৪৩ নম্বরে মানিকা দাস দত্ত, ৪৪ নম্বরে সুস্মিতা সাহা, ৪৬ নম্বরে প্রণজিৎ লোধ, ৪৭ নম্বরে প্রণজিৎ সরকার, ৪৮ নম্বরে সবিতা দাস, ৪৯ নম্বরে হরিসাধন দেবনাথ, ৫০ নম্বরে রিঙ্কি দাস ভৌমিক এবং ৫১ নম্বর ওয়ার্ডে শুভম ঘোষ।

বিজেপির এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে আগরতলা পুর নিগম নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগোল। এখন নজর থাকবে বাকি ওয়ার্ডগুলিতে প্রার্থী ঘোষণা এবং নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দলগুলির পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।