অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, আজকের এই সাফল্য ভারত সরকারের জনমুখী নীতি, সক্রিয় পদক্ষেপ এবং সুশাসনের এক উৎকৃষ্ট নিদর্শন। পূর্বতন সরকারগুলির শ্লথ গতির কার্যপদ্ধতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমাদের দেশে প্রথম মেট্রো পরিষেবা চালু হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। কিন্তু তার পরবর্তী ৩০ বছরে মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার মেট্রো লাইন নির্মাণ সম্ভব হয়েছিল। ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের মাত্র ৫টি শহরে মেট্রো রেল চলাচল করত। সেই পুরনো সরকার ও তাদের ধীরগতির কর্মসংস্কৃতি যদি আজও বহাল থাকত, তবে পুণেতে মেট্রো পৌঁছতে আরও বহু দশক সময় লেগে যেত।”
২০১৪ সালে এনডিএ সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো উন্নয়নের আমূল পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “২০১৪ সালে দেশ যখন এনডিএ-কে সেবা করার সুযোগ দেয়, তখন আমরা এক দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়েছিলাম। শহরের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করা এবং যাতায়াতের দুর্ভোগ কমানোই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য—আর এখন তারই বাস্তব ফল দৃশ্যমান হচ্ছে।”
দেশের সামগ্রিক মেট্রো নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির খতিয়ান দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৪ সালের মাত্র ২৪৮ কিলোমিটারের মেট্রো জাল এখন সম্প্রসারিত হয়ে প্রায় ১,২০০ কিলোমিটারে পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি ২০১৪ সালের মাত্র ৫টি শহরের পরিধি ছাড়িয়ে বর্তমানে দেশের ২৬টি শহরে আধুনিক মেট্রো পরিষেবা সচল রয়েছে। পুণে মেট্রোর এই নতুন লাইনটি তথ্যপ্রযুক্তি হাব হিঞ্জেওয়াড়ির সঙ্গে মূল শহরের সংযোগকে আরও মসৃণ করে লক্ষাধিক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ও নিত্যযাত্রীকে চরম যানজট থেকে স্বস্তি দেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।








