অ্যাপিকেল রুটেড কাটিং পদ্ধতিতে আলু উৎপাদন হচ্ছে কানি প্রতি প্রায় আট হাজার কেজি : কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১০ মার্চ, ২০২৫: অ্যাপিকেল রুটেড কাটিং (এআরসি) পদ্ধতিতে আলু উৎপাদন হচ্ছে কানি প্রতি প্রায় আট হাজার কেজি। এতোদিন যাবৎ কৃষকরা যে আলু চাষ করছিলেন তার ফলনে কানি প্রতি উৎপাদন ছিল তিন হাজার কেজি। এ প্রজাতির আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে উত্তর ত্রিপুরা জেলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। উত্তর ত্রিপুরা ছাড়াও দক্ষিণ ত্রিপুরা, ধলাই, খোয়াই জেলাতেও এ পদ্ধতিতে আলু চাষ হচ্ছে। আগামীদিনে আরও বেশি পরিমাণে এ প্রজাতির আলুবীজ কৃষকদের সরবরাহ করা হবে। আজ উত্তর ত্রিপুরা জেলার যুবরাজনগর কৃষি মহকুমাধীন রাজনগর পঞ্চায়েতে আলু চাষের জমি পরিদর্শনের সময় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথাগুলি বলেন কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ। উল্লেখ্য, রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে অ্যাপিকেল রুটেড কাটিং (এআরসি) পদ্ধতিতে অনেক কৃষক আলু চাষ করছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিভিন্নভাবে কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছে, যাতে কৃষকরা তাদের উৎপাদন বাড়াতে পারেন। যুবরাজনগর ব্লক এলাকার কৃষকরা কতটুকু খাদ্যশস্য উৎপাদন করেন এবং এই ব্লক এলাকার মানুষের চাহিদা কতটুকু সে তথ্য বক্তব্যে তুলে ধরেন কৃষিমন্ত্রী। চাহিদার সাথে সাযুজ্য রেখে কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এজন্য তিনি কৃষকদের অনুপ্রাণিত করেন।

অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ড. ফণিভূষণ জমাতিয়া, যুবরাজনগর ব্লকের বিডিও দেবপ্রিয়া দাস, সমাজসেবী কাজল কুমার দাস, সমাজসেবী মলিনা দেবনাথ, ফার্মার্স ক্লাবের রাজ্য সভাপতি প্রদীপ বরণ রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুবরাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অপর্ণা সিনহা নাথ।

এদিন কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ যুবরাজনগর কৃষি তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে অন্য একটি অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করেন। সেখানে মধুবন এলাকার কৃষকদের তৈরি মধুর নতুন ব্র্যান্ডের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। ‘মধুবনের মধু’ নামক এই ব্র্যান্ডের মধু বাণিজ্যিকভাবে সফলতা অর্জন করবে বলে কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য যে, অন্নপূর্ণা স্বসহায়ক দলের মাধ্যমে এ মধু বাজারজাত করা হয়।