পদ্মজৎ ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর খেলাধুলার পরিবেশ আমূল পাল্টে গেছে

অনলাইন ডেস্ক, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: একটা সময় খেলাধুলায় রাজ্য অনেক পিছিয়ে ছিল। রাজ্যের বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর খেলাধুলার পরিবেশ আমূল পাল্টে গেছে। বর্তমান সরকার অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, ফুটবল সহ বিভিন্ন ইভেন্টের পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটিয়েছে। জনজাতি এলাকাসমূহেও খেলাধুলার পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আজ কৈলাসহরের আর.কে.এম. ময়দানে পদ্মজং মেমোরিয়াল ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচের প্রধান অতিথি মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, বহু বছর পরে রাজ্যে পদ্মজং ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়ের বিশেষ উদ্যোগে পদ্মজংয়ের মতো একটি স্মৃতি বিজড়িত ফুটবল প্রতিযোগিতা রাজ্যে আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রায় সবকটি রাজ্য অংশ নিয়েছে। তিনি বলেন, ফুটবল একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা। খুব কম সময়ের মধ্যে টান টান উত্তেজনার মধ্যে মানুষ এই খেলা উপভোগ করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের বর্তমান সরকার রাজ্যে অনেকগুলি সিন্থেটিক ফুটবল টার্ফ মাঠ তৈরি করেছে। সরকার খেলাধুলার পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি তার গুণগতমানও বৃদ্ধি করতে সচেষ্ট। ফাইনাল ম্যাচের হাফ টাইমে অনুষ্ঠিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা নতুন নতুন প্রতিভা তুলে আনতে চাইছি।

তিনি বলেন, পরিকাঠামো উন্নয়নের মধ্য দিয়ে রাজ্যে এখন খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এদিন ফাইনাল ম্যাচে এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী সুধাংশু দাস, উনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ, ঊনকোটি জিলা পরিষদের সদস্য বিমল কর, কৈলাসহর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন চপলা রাণী দেবরায়, ঊনকোটি জেলার জেলাশাসক ড. তমাল মজুমদার, পুলিশ সুপার সুদাম্বিকা আর, ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সচিব অমিত চৌধুরী প্রমুখ।

আর.কে.এম. ময়দানে অনুষ্ঠিত এদিনের ফাইনাল ম্যাচে মণিপুরের রেংদাই এফ.সি. টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে মণিপুরেরই ট্রাও এফ.সি.কে পরাজিত করে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরস্কার হিসেবে ৫ লক্ষ টাকার চেক এবং সুদৃশ্য ট্রফি তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। রানার্স আপ দলের হাতে ৩ লক্ষ টাকার চেক এবং সুদৃশ্য ট্রফি তুলে দেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়। উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। এতে ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বাঞ্চল, সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের ১৬টি দল অংশ নেয়।

Recent Posts