অনলাইন ডেস্ক, ০৭ মার্চ, ২০২৬: কৃষকরা হলেন অন্নদাতা। দেশ তথা সমাজের অগ্রগতিতে কৃষকদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। আজ প্রজ্ঞাভবনে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যভিত্তিক আত্মা কিষাণ মেলা ২০২৫-এর উদ্বোধন করে কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন। তিনি বলেন, কৃষকদের অবদানের কথা স্মরণে রেখে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বর্তমান সরকার কৃষকদের উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তাদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে এই প্রয়াসের সাফল্য আসতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, বনায়ন, পশুপালন, মৎস্যচাষ সবগুলি একত্রে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। দেশের এবং রাজ্যের জি.এস.ডি.পি. বাড়াতে কৃষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে কৃষি মার্কেট তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষিকাজে এখন রাজ্যের যুবকরাও আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি নিঃসন্দেহে রাজ্যবাসীর জন্য একটি ভালো খবর।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষ করার জন্য রাজ্য সরকার কৃষকদের উৎসাহিত করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ড. পি.বি. জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে রাজ্যের ৮টি জিলা পরিষদের সভাধিপতি, রাজ্যের প্রবীণ কৃষক আশুতোষ পাল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের ১০ জন সফল কৃষকের হাতে ৫০ হাজার অর্থরাশি সহ সম্মাননা তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রত্যেক জেলা থেকে ১০ জন করে সফল কৃষকের হাতেও ২৫ হাজার টাকার অর্থরাশি এবং সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। কৃষকদের সাফল্যের কাহিনী সম্বলিত একটি বইয়ের আবরণ উন্মোচনও করেন অতিথিগণ। অনুষ্ঠানে রাজ্যের ৯টি নার্সারির প্রতিনিধিদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
আত্মা কিষাণ মেলায় কৃষকদের উৎপাদিত বিভিন্ন ফসল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ এই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রত্যেকটি ব্লকের ৫ জন করে কৃষককে তাদের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।









