বিভিন্ন উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য: উপাধ্যক্ষ

অনলাইন ডেস্ক, ২২ মার্চ, ২০২৬: তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতি এবং চৌমুহনী বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় গতকাল ডুকলি ব্লকের অন্তর্গত দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসন্ত উৎসব উদযাপিত হয়। বসন্ত উৎসবের উদ্বোধন করে ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ বিধায়ক রামপ্রসাদ পাল বলেন, বসন্ত নতুনের বার্তা দেয়, আনন্দের দিশা দেখায়। তাই আমাদের পূর্বপুরুষগণ বসন্তকে ঋতুরাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

আমাদের পূর্বপুরুষগণ প্রকৃতির পূজারী ছিলেন। প্রকৃতি আমাদের বেঁচে থাকার মূল আশ্রয়। উপাধ্যক্ষ বলেন, উৎসব উদযাপন মানেই পূর্বপুরুষের কর্মকাণ্ডকে স্মরণ করা। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো পূর্বপুরুষের পরিচিতি। বিভিন্ন উৎসব উদযাপনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য। এই উৎসবকে ভিত্তি করে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ভেদাভেদ, হিংসা, ঘৃণা ইত্যাদির কোনও স্থান আমাদের সমাজে নেই।

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলার নাম উৎসব। তিনি আরও বলেন, নারায়ণখামারে প্রতিবছর রাস বসন্ত উৎসব পালিত হয়, এটি এখানকার মণিপুরী সম্প্রদায়ের পরিচয়। পিঠাপুলি, যাত্রা, হোলি, বর্ষবরণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজকে এক সুতোয় বেঁধে রাখা যায়। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, ডুকলি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান ভুলন সাহা প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা কার্যালয়ের সহঅধিকর্তা অমৃত দেববর্মা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক বড়দাকান্ত সিংহ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চৌমুহনী বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শম্পা সাহা সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Recent Posts

খোয়াইয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে : মুখ্যমন্ত্রী