অনলাইন ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং এর আগে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির নিরবচ্ছিন্নভাবে জনসেবার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকার আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে এক মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অভিযানে ‘জন সেবা হি প্রভু সেবা’ মূলমন্ত্রকে পাথেয় করে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সমাজের অন্তিম ব্যক্তির নিকট পৌছানো হবে। আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ সংবাদ জানান। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জনসেবা, নিষ্ঠা এবং জনকল্যাণের প্রতি অটল অঙ্গীকারের এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর, যখন তিনি প্রথমবারের মতো গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
ভারতের মতো বিশাল ও বৈচিত্র্যময় গণতন্ত্রে টানা ২৫ বছর ধরে জনগণের আশীর্বাদ লাভ করা এবং তাঁদের সেবা করে যাওয়া ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক স্বর্ণালী অধ্যায়। সেবা, সুশাসন এবং দরিদ্রদের কল্যাণই হলো প্রধানমন্ত্রীর শাসনব্যবস্থার মূল দর্শন।পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের সুফল যেন সমাজের শেষ ব্যক্তির কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই হল প্রধানমন্ত্রীর কর্মপদ্ধতির মূল ভিত্তি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য ও দেশ পরিচালনার তথা জনসেবার ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনে রাজ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ সময়ের মধ্যে সেবা সংকল্প অভিযানের অংশ হিসাবে বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়িত হবে। এরমধ্যে রয়েছে আশীর্বাদ কা দিয়া (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬), মেরে স্বপনো কা ভারত – চিত্র সেবা, নমো সেবা – আনকাহি কাহানিয়াঁ, অঙ্গন মিলন সেবা, সেবা কি কাহানি, সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা, সেবা মেরি যোগদান, সেবা সেতু অভিযান, সেবা কে রং, রাষ্ট্র কে সং, সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ, সুশাসন সংবাদ এবং ভাদনগর-বারাণসী সেবা যাত্রা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর রূপায়ণ তদারকির জন্য অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়কে ‘নোডাল মিনিস্টার’ বা সমন্বয়কারী মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট অভিভাবক মন্ত্রীগণ বিভিন্ন জেলাগুলিতে অভিযান রূপায়নের তদারকির দায়িত্বে থাকবেন। এরমধ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলার দায়িত্বে থাকবেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা এবং সমবায় মন্ত্রী শুক্লাচারণ নোয়াতিয়া, ঊনকোটি জেলার দায়িত্বে থাকবেন পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী ধলাই জেলার দায়িত্বে কৃষি মন্ত্রী রতনলাল নাথ, খোয়াই জেলার দায়িত্বে সমাজ শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী টিঙ্কু রায়, সিপাহীজলা জেলার দায়িত্বে জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, গোমতী জেলার দায়িত্বে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কিশোর বর্মন ও বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার দায়িত্বে থাকবেন মৎস্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস ও শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা।
এছাড়াও বিধায়কগণ সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিগন এই অভিযান সুসম্পন্ন করার জন্য যথাযোগ্য পদক্ষেপ নেবেন। এই এক মাসব্যাপী অভিযানের সময় কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতির ওপর নজর রাখার জন্য সমস্ত সচিব ও জেলা শাসকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এই অভিযান রূপায়ণে নোডাল দপ্তর হিসাবে কাজ করছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, আশীর্বাদ কা দিয়া কর্মসূচিতে ১৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যের গ্রামীণ ও শহর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে এবং বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য ৬ লক্ষেরও বেশি প্রদীপের ব্যবস্থা করা হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর ‘সেবা দিবস’ হিসেবে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। নাগরিকদের সুবিধার্থে স্ব-সহায়ক দলের তৈরী প্রদীপ ন্যায্যমূল্যের দোকান, পঞ্চায়েত অফিস, আরোগ্য মন্দির থেকে বিতরণ করা হবে।
আগরতলায় উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ এবং জগন্নাথ দিঘি ও লক্ষ্মী নারায়ণ দিঘির পাড়, উদয়পুরে মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির, ধর্মনগরে কালী বাড়ি দিঘি, সোনামুড়ার নীরমহল, কৈলাশহরে ঊনকোটি কলাক্ষেত্র প্রাঙ্গণ ইত্যাদি জায়গায় বিশেষ কর্মসূচি রূপায়ণ করা হবে। সমস্ত ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং স্থানীয় নগর সংস্থাগুলিতেও অনুরূপ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, মেরে স্বপনো কা ভারত – চিত্র সেবার মাধ্যমে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর সময়ের মধ্যে এই কর্মসূচিতে রাজ্যের মোট ৪৯৪৫টি স্কুলেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিষয়বস্তু থাকবে – বিকশিত ভারত সংকল্প- প্রধানমন্ত্রী মোদির ২৫ বছরের সেবাকার্য। শিক্ষার্থীদের আঁকা ছবির প্রদর্শনী দেখার জন্য অভিভাবক, স্থানীয় জনগণ এবং শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।
এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই বিষয়বস্তুর উপরে বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নমো সেবা – আনকাহি কাহানিয়াঁ কর্মসূচিতে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর সময়ের মধ্যে এই কর্মসূচিতে ২৫-৩০ মিনিটের সহজবোধ্য, আবেগঘন ও সঙ্গীতধর্মী পথনাটকের (নুক্কড় নাটক) সাহায্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির ২৫ বছরের জনসেবা, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। অঙ্গন মিলন সেবা কর্মসূচির মাধ্যমে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর সময়ের মধ্যে রাজ্যের ১০ হাজার ৪৭৯টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে উপলব্ধ পরিষেবাগুলি অভিভাবকদের কাছে ব্যাখ্যা, তাদের মতামত শোনা, বকেয়া সুবিধা প্রদান সহ মহিলাদের জন্য উপলব্ধ বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্পের ব্যাখ্যা, কীভাবে তাদের সুবিধা নেওয়া যায় এবং সুবিধা দেওয়া যায় তার সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচনা করা হবে।
পাশাপাশি নাগরিকদের বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ স্কিম সম্পর্কে সচেতন করা ও আবেদন করতে সাহায্য করা, অন্যান্য রাষ্ট্রীয় যোজনা এবং পরিষেবাগুলির সুবিধা প্রসারিত করা, রাজ্য ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সম্পর্কে সচেতন করাও এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেবা কি কাহানি কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রকল্পে সুবিধাভোগীগণ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনার যেমন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, জল জীবন মিশন, আয়ুষ্মান ভারত, পিএম- কিষাণ, প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা বা অনুরূপ ফ্ল্যাগশিপ স্কিমগুলির মাধ্যমে তাঁদের জীবনে যে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তারা তাদের বাস্তব জীবনের কথা সবার সাথে ভাগ করে নেবেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা কর্মসূচিতে ‘সেবা জ্যোতি’ (মশাল) বহনকারী শোভাযাত্রা, সাইকেল র্যালি এবং বাইক র্যালি ১১৯৩ টি গ্রামে, ২১ টি শহরে গ্রামীণ ও শহরের উপর দিয়ে যাবে এবং যুবকদের ব্যাপকহারে অংশগ্রহন সুনিশ্চিত করা হবে। বিকশিত ভারতের প্রতীক হিসাবে পবিত্র কলস জনবহুল স্থানে স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপন করা হবে। সুবিধাভোগীরা বিগত ২৫ বছরের অর্জিত অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করবেন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের সম্মিলিত অঙ্গীকার নেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেবা মেরি যোগদান কর্মসূচির আওতায় নাগরিকদের বিভিন্ন সামাজিক কাজের মাধ্যমে দেশ গঠনে ব্যক্তিগত সংকল্পে উৎসাহিত করা হবে। এর মধ্যে সাধারণত জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় (যেমন ২৫ মিনিটের ‘শ্রমদান’ বা স্বেচ্ছাশ্রম) উৎসর্গ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বৃক্ষরোপণ, রক্তদান, স্বচ্ছতা অভিযান এই কর্মসূচির অন্যতম অঙ্গ। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ই অক্টোবরের মধ্যে, জন অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ২৫টি ভিন্ন ভিন্ন সেবামূলক বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তত দুটি স্থানে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
সেবা সেতু অভিযানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলোর সুবিধা নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ৮৫টি ‘মেগা ক্যাম্প’-এর আয়োজন করা হবে। এই ক্যাম্পগুলো প্রতিটি ব্লকের সদর দপ্তর (৫৮টি), শহর (২০টি) এবং আগরতলার ৪টি জোনে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও প্রয়োজনের ভিত্তিতে পঞ্চায়েত এবং নগর এলাকাতেও অনুরূপ শিবিরের আয়োজন করা হবে। শিবিরে সংশ্লিষ্ট অনলাইন আবেদন পোর্টালের সুবিধা এবং তাৎক্ষণিক অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকবে; পাশাপাশি সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হবে।
সেবা কে রং, রাষ্ট্র কে সং কর্মসূচিতে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে বড় আকারের ‘হিউম্যান রঙ্গোলি’ বা জনগণের অংশগ্রহণে আলপনা তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রকল্প, জাতীয় প্রতীক এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর বার্তা তুলে ধরা হবে। এই রঙ্গোলিগুলোর মাধ্যমে ‘জনসেবা সে হি রাষ্ট্রসেবা’- এই বার্তাটি প্রচার করা হবে। এই কর্মসূচিতে শিল্পী, নারী, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, এনসিসি এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করা হবে। এতে প্রাকৃতিক উপকরণ ও স্থানীয় শিল্পশৈলী ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হবে।
সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ কর্মসূচিতে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাছ থেকে সুশাসন, নাগরিক পরিষেবা প্রদান, জনকল্যাণ, পরিচালনগত দক্ষতা এবং স্থানীয় উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলোর সাথে সম্পর্কিত সমস্যার বিবরণ আহ্বান করা হবে। চিহ্নিত সমস্যাগুলোর বিবরণ একত্রিত করে পোর্টালের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে এবং এর ভিত্তিতে উপযুক্ত ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক সমাধান উদ্ভাবনের জন্য স্টার্টআপ, শিক্ষার্থী, উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন দলকে আহ্বান জানানো হবে।
উচ্চশিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, শিল্প ও বাণিজ্য এবং দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটি বাস্তবায়িত করা হবে। এর মাধ্যমে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রগুলোতে সমস্যা চিহ্নিত করা,উদ্ভাবনী সমাধান পাওয়া, ‘স্টার্টআপ ত্রিপুরা’ ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় দলগুলোর জন্য ইনকিউবেশণে সহায়তা, ইকোসিস্টেম সংযোগ, বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগের সুযোগ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হবে। সুশাসন সংবাদ কর্মসূচিতে সুশাসন ও দক্ষ জনসেবা প্রদান নিয়ে আলোচনা এবং সর্বোত্তম কর্মপদ্ধতি চিহ্নিত করার লক্ষ্যে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে স্থানীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
সুশাসনের প্রসার ও স্থানীয় পর্যায়ে সর্বোত্তম কর্মপদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (পঞ্চায়েত ও নগর সংস্থা), যুবসমাজ, নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে মতবিনিময়মূলক সেমিনারের আয়োজন করা হবে। দেশের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আয়োজিত জাতীয় কর্মসূচির জন্য প্রধান ও জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে গ্রামোন্নয়ন (পঞ্চায়েত) দপ্তর, কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রকের সাথে সমন্বয় সাধন করবে। পাশাপাশি ভাদনগর-বারাণসী সেবা যাত্রায় রাজ্যের স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণও বিবেচনাধীন রয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের সচিব অভিষেক সিং।









