অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জুন, ২০২৫ : প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয় এক অপার লোকজ আনন্দোৎসব খার্চি উৎসব ও মেলা। এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আহ্বানে মুখরিত হয় রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের পুরাতন আগরতলা রকের খয়েরপুর এলাকা।
সেখানে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চতুর্দশ দেবতা মন্দির। রাজ্যের জাতি জনজাতি অংশের প্রাণ মানুষ অপেক্ষা করেন বছরের এই বিশেষ মুহূর্তের জন্য সাত দিনব্যাপী খার্চি উৎসব ও মেলার জন্য। এবছর এই মেলা শুরু হবে আগামী ৩ জুলাই, চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়কালে দেবতা বাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠে পুণ্যতীর্থ, মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠে এক মহামিলনের ক্ষেত্র।
জাতি কিংবা জনজাতির গন্ডি পেরিয়ে, রাজ্যের সব অংশের মানুষ এই উৎসবে মিলিত হন ধর্মীয় শ্রদ্ধা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসে। শুধু ধর্মীয় অনুভূতি নয় এই মেলা বা উৎসব হয়ে উঠে জাতি-জনজাতি ও নানা সংস্কৃতি সম্পন্ন মানুষের এক মিলন ক্ষেত্র। নানা আচার অনুষ্ঠান, লোকজ উৎসব, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং মেলা প্রাঙ্গণের বৈচিত্রময় পরিবেশ যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার করে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এই পবিত্র তীর্থভূমি। খাচি মেলা তাই কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এ এক ঐক্য, আস্থা ও আবেগের প্রতীক। খাচি উৎসব কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় আচার নয়-এটি ত্রিপুরার বহু প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
যা বহু বছর ধরে মানুষের হৃদয়ে এক অভিন্ন বন্ধনের সুর বেঁধে রেখেছে। চতুর্দশ দেবতার মন্দির যা ত্রিপুরার আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিতকে বলা হয় চন্তাই। চন্তাইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী চতুর্দশ দেবতার মধ্যে শিব, উমা, হরি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিকেয়, গণেশ, ব্রহ্মা, পৃথিবী, সমুদ্র, গঙ্গা, অগ্নি, কামদেব ও হিমাদ্রি এই চৌদ্দ জন দেবদেবীই খাচি পূজার সাতদিন পূজিত হন। তাঁদের মধ্যে হর বা শিব হলেন প্রধান।
এই মন্দিরে প্রতিদিন নিত্য পূজিত হন শিব, উমা ও হরি। ত্রিপুরার রাজা কৃষ্ণ কিশোর মানিক্য বার বার মোগল আক্রমনের জন্য রাজ্যের প্রাচীন রাজধানী উদয়পুর থেকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। সেদিন তাঁর দৃষ্টি পড়ে বর্তমান খয়েরপুর অঞ্চলের দিকে, আর সেখানেই স্থাপন করেন নতুন রাজবাড়ি বা হাবেলী। তৈরী করেন নতুন রাজধানী যা বর্তমানে পুরাতন আগরতলা বা পুরাতন হাবেলী নামে পরিচিত। নতুন রাজধানীতে মহারাজা প্রতিষ্ঠা করেন চতুর্দশ দেবতার মন্দির।
বর্তমান আগরতলায় রাজধানী স্থানান্তরের পর চতুর্দশদেবতা থেকে যান পুরাতন আগরতলাতেই। খার্চি পূজা সময়ের গন্ডি পেড়িয়ে রাজ্যবাসীর প্রাণের উৎসবে পরিনত হয়েছে। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয় এক অপার লোকজ আনন্দোৎসব খার্চি উৎসব ও মেলা। এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আহ্বানে মুখরিত হয় রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরের পুরাতন আগরতলা রকের খয়েরপুর এলাকা।
সেখানে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চতুর্দশ দেবতা মন্দির। রাজ্যের জাতি জনজাতি অংশের প্রাণ মানুষ অপেক্ষা করেন বছরের এই বিশেষ মুহূর্তের জন্য সাত দিনব্যাপী খার্চি উৎসব ও মেলার জন্য। এবছর এই মেলা শুরু হবে আগামী ৩ জুলাই, চলবে ৯ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়কালে দেবতা বাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠে পুণ্যতীর্থ, মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠে এক মহামিলনের ক্ষেত্র।
জাতি কিংবা জনজাতির গন্ডি পেরিয়ে, রাজ্যের সব অংশের মানুষ এই উৎসবে মিলিত হন ধর্মীয় শ্রদ্ধা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসে। শুধু ধর্মীয় অনুভূতি নয় এই মেলা বা উৎসব হয়ে উঠে জাতি-জনজাতি ও নানা সংস্কৃতি সম্পন্ন মানুষের এক মিলন ক্ষেত্র। নানা আচার অনুষ্ঠান, লোকজ উৎসব, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং মেলা প্রাঙ্গণের বৈচিত্রময় পরিবেশ যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার করে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এই পবিত্র তীর্থভূমি। খাচি মেলা তাই কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এ এক ঐক্য, আস্থা ও আবেগের প্রতীক। খাচি উৎসব কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় আচার নয়-এটি ত্রিপুরার বহু প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
যা বহু বছর ধরে মানুষের হৃদয়ে এক অভিন্ন বন্ধনের সুর বেঁধে রেখেছে। চতুর্দশ দেবতার মন্দির যা ত্রিপুরার আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিতকে বলা হয় চন্তাই। চন্তাইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী চতুর্দশ দেবতার মধ্যে শিব, উমা, হরি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিকেয়, গণেশ, ব্রহ্মা, পৃথিবী, সমুদ্র, গঙ্গা, অগ্নি, কামদেব ও হিমাদ্রি এই চৌদ্দ জন দেবদেবীই খাচি পূজার সাতদিন পূজিত হন। তাঁদের মধ্যে হর বা শিব হলেন প্রধান।
এই মন্দিরে প্রতিদিন নিত্য পূজিত হন শিব, উমা ও হরি। ত্রিপুরার রাজা কৃষ্ণ কিশোর মানিক্য বার বার মোগল আক্রমনের জন্য রাজ্যের প্রাচীন রাজধানী উদয়পুর থেকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। সেদিন তাঁর দৃষ্টি পড়ে বর্তমান খয়েরপুর অঞ্চলের দিকে, আর সেখানেই স্থাপন করেন নতুন রাজবাড়ি বা হাবেলী।
তৈরী করেন নতুন রাজধানী যা বর্তমানে পুরাতন আগরতলা বা পুরাতন হাবেলী নামে পরিচিত। নতুন রাজধানীতে মহারাজা প্রতিষ্ঠা করেন চতুর্দশ দেবতার মন্দির। বর্তমান আগরতলায় রাজধানী স্থানান্তরের পর চতুর্দশদেবতা থেকে যান পুরাতন আগরতলাতেই। খার্চি পূজা সময়ের গন্ডি পেড়িয়ে রাজ্যবাসীর প্রাণের উৎসবে পরিনত হয়েছে।









