রাজ্যের ৭৬টি জায়গায় বন্যা এবং ভূমিধুস মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক,০৯ জুলাই, ২০২৫: ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এমডিএমএ)-র সহায়তায় এবং দি ত্রিপুরা ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির উদ্যোগে আজ সমগ্র রাজ্যে বন্যা এবং ভূমিধস মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ডিস্ট্রিক্ট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির (ডিডিএমএ) সঙ্গে সম্পর্ক রেখে রাজ্যের রাজস্ব দপ্তর এই মহড়া পরিচালনা করে। রাজ্যের ৭৬টি জায়গায় একই সঙ্গে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্যের শহর এবং গ্রামঞ্চলের নিম্নাঞ্চল, হাসপাতাল, ভূমিধুস প্রবণ এলাকা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো স্থলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী অংশগ্রহণ করে। বন্যা ও ভূমিধুসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে কিভাবে দুর্গতদের উদ্ধার করা হবে তা এই মহড়ায় তুলে ধরা হয়। বিপর্যয় মোকাবিলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ইন্সিডেন্ট রেসপন্স সিস্টেম (আইআরএস), এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সেনা, আসাম রাইফেলস, বিএসএফ, সিআরপিএফ-র আধিকারিক ও জওয়ানগণ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মচারিগণ, ওএনজিসি, গেইল, নেপকো, টিএনজিসিএল, ওটিপিসি-র মতো পাবলিক সেক্টর আন্ডার টেকিং-এর প্রতিনিধিগণ, অসামরিক প্রতিরক্ষা, আপদা মিত্র, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকগণ এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে এই মহড়া প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। এই মহড়ার মাধ্যমে রাজ্য এবং জেলা পর্যায়ের ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার (ইওসি)-গুলির কার্যকরিতা খতিয়ে দেখা হয়। প্রত্যেক জায়গায় ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম জরুরী পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে আইআরএস-র পরিকাঠামোকে সক্রিয় করে তোলে। পর্যবেক্ষকগণ মহড়ার এই পর্ব খতিয়ে দেখেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গার চিত্র সরাসরি দেখানো হয়। মহড়া চলাকালীন সময়ে রাজ্যের রিলিফ কমিশনার এবং ইন্সিডেন্ট কমান্ডার ব্রিজেশ পান্ডে স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার (এসইওসি) ঘুরে দেখেন। বাস্তবিক অর্থেই এরকম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যে যাতে গতি আনা যায় সেজন্য তিনি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। দুপুর ১২টায় এসইওসি গুলিতে মহড়া পরবর্তী আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এগুলিতে মহড়ায় অংশ নেওয়া দপ্তর ও সংস্থাগুলির জেলা পর্যায়ের আধিকারিকগণ ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যে আরও কিভাবে গতি আনা যায় সেবিষয়ে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। আলোচনা থেকে এধরণের সর্বাত্মক মহড়া নিয়মিতভাবে করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শুধু বন্যা ও ভূমিধস নয় ভূ-কম্পনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবার মতো বিষয়ে জনসাধারণকে আরও বেশি সচেতন করে তোলার প্রয়োজনীয়তাও এই আলোচনা থেকে বেরিয়ে আসে। রাজস্ব দপ্তরের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশালগড়ে ৫টি স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ সারা রাজ্যের সাথে বিশালগড় মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে মহকুমার মোট ৫টি স্থানে ভূমিধস ও বন্যা মোকাবিলা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বিশালগড় ব্লকের অন্তর্গত কেকে নগর গ্রাম পঞ্চায়েতস্থিত ভদ্রাবতী হাইস্কুল, গজারিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গজারিয়া হাইস্কুল, বিশালগড় দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের মাঠ এবং চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত লীলাদেব স্মৃতি হলঘর সংলগ্ন এলাকা, চড়িলাম ব্লক অফিস এলাকায় মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। কিভাবে বন্যা এবং ভূমিধস চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে সহযোগিতা করা, উদ্ধার ও ত্রাণকার্য পরিচালনা করতে হবে তা প্রদর্শন করা হয়। শুধু মানুষের নয় গৃহপালিত পশুদের বিপদকালীন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে নিরাপদ স্থানে বা ত্রাণ শিবিরে নিয়ে আসা যায় তা হাতে কলমে দেখানো হয়। মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বিশালড় মহকুমার মহকুমা শাসক রাকেশ চক্রবর্তী, ডিসিএম প্রসেনজিৎ দাস, ডিসিএম পামেলা সাহা, বিশালগড় ব্লকের বিডিও নান্টু দেব, চড়িলাম ব্লকের বিডিও কৃত্তিকা সাহা সহ এনডিআরএফ, বিএসএফ, বিশালগড় আরক্ষা প্রশাসনের টিম, জল, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, প্রাণীসম্পদ, তথ্য ও সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ।

উদয়পুর মহকুমার ৬টি স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
সারা রাজ্যের সঙ্গে উদয়পুর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগেও আজ সকাল ৭টা ৩০ মিনিট
থেকে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত উদয়পুর মহকুমার ৬টি স্থানে প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ ভূমিধস ও বন্যা মোকাবিলার বিষয়ে মেগা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদয়পুর মহকুমার মহারাণী ব্যারাজ, জগন্নাথ দিঘি, অমর সাগর, কাকড়াবন সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বন্যা মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া কিল্লা ব্লকের কিল্লা রাইয়াবাড়ি রোড এবং টেপানিয়া ব্লকের গোমতী জেলা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ভূমিধুস বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়া পরিচালনায় বিভিন্ন দপ্তর, ভলান্টিয়ার টিম, আপদামিত্র এবং স্থানীয় জনগণ অংশ নিয়েছে। এই মহড়া চলাকালীন সময়ে উদ্ধারকারী দল মোট ৩০২ জনকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করেছে। মহড়ার স্থানগুলি পরিদর্শন করেন গোমতী জেলার জেলাশাসক রিছু লাখের।

লংতরাইভ্যালি মহকুমায় বন্যা ও ভূমিধসের উপর মহড়া অনুষ্ঠিত
রাজ্যের অন্যান্য অংশের ন্যায় আজ লংতরাইভ্যালি মহকুমায়ও বন্যা ও ভূমিধসের উপর একটি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়া স্টেজিং এরিয়া হিসেবে ছিল ছৈলেংটা হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল প্রাঙ্গণ। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনী, এসডিআরএফ, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (এনজিও)’র সদস্যাগণ এই মহড়ায় অংশ নেন। রাজ্যে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের মত ঘটনা ঘটলে কিভাবে তা মোকাবিলা করা হবে তা মহড়ায় তুলে ধরা হয়।

মোহনপুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত
সারা রাজ্যের সাথে মোহনপুর মহকুমায়ও আজ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার উপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মোহনপুর মহকুমার লেফুঙ্গা ব্লকের গামছাকোবরা ভিসি অফিস প্রাঙ্গণে, মোহনপুর ব্লকের রাঙ্গাছড়া জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ের নিকট, বামুটিয়া ব্লকের ভাগলপুর লেকে, হেজামারা ব্লকের সুবল সিং এলাকায় মহড়াগুলি অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও গবাদি পশুকে কিভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, কিভাবে জরুরী নানা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হয় ইত্যাদি বিষয়গুলি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় টিএসআর, অগ্নি নির্বাপক, বিদ্যুৎ, পূর্ত, স্বাস্থ্য, পানীয়জল ও স্বাস্থ্যবিধি, আপদামিত্র, সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। ৪টি স্থানে মহড়ায় মোট ১৬ জন উদ্ধারকারীদলের সদস্য অংশগ্রহণ করেন। মহড়াগুলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য মোহনপুর মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান।

জম্পুইজলায় ৩টি জায়গায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত
জম্পুইজলা মহকুমায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার উপর আজ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়া সুধন্বা দেববর্মা স্মৃতি দ্বাদশমান বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, টাকারজলা হোস্টেল পাড়া এবং গোবিন্দ ঠাকুর পাড়া এই তিনটি জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে গোবিন্দ ঠাকুর পাড়ায় ভূমি ধুসের উপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয় এবং সুধন্বা দেববর্মা স্মৃতি দ্বাদশমান বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, টাকারজলা দ্বাদশমান বিদ্যালয়, টাকারজলা সাউথ দ্বাদশমান বিদ্যালয়কে আশ্রয় শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জম্পুইজলা মহকুমা শাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণকে স্টেজিং এরিয়া করা হয়।
জম্পুইজলা মহকুমার এই ৩টি দুর্যোগ মোকাবিলার মহড়া পরিদর্শন করেন জম্পইজলা মহকুমা শাসক চিরঞ্জীব আনন। এই মহড়ায় জম্পুইজলা মহকুমার ডিসিএমগণ এবং জম্পুইজলা মহকুমার অন্তর্গত প্রতিটি দপ্তরের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

কমলপুরে বন্যা ও ভূমিধুস বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
কমলপুর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতিতে বিপর্যয় মোকাবিলার লক্ষ্যে কমলপুর নগর পঞ্চায়েত এলাকা, সালেমা ব্লক ও দুর্গা চৌমুহনী ব্লকে এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়ায় স্বেচ্ছাসেবক, আপদামিত্র, এনজিও, এনডিআরএফ, অগ্নি নির্বাপক দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর, পিডব্লিউডি, আরডি, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর সহ অন্যান্য দপ্তর অংশগ্রহণ করে।

সাবুমে বিভিন্ন জায়গায় বিপর্যয় মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত
সাবুম মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে সাবুম মহকুমার চারটি স্থানে প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ বন্যা ও ভূমিধস মোকাবিলার বিষয়ে আজ এক মেগা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। সাবুম মহকুমার সাতচাঁদ ব্লকের রতনমনি এডিসি ভিলেজে এবং দৌলবাড়ি মগপাড়ায়, রূপাইছড়ি ব্লকের বৈষ্ণবপুরে বন্যা মোকাবিলা বিষয়ক ও পোয়াংবাড়ি ব্লকের মেরুপাড়া এলাকায় ভূমিধসের ফলে উদ্ভুত বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। সাব্রুম মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে সাব্রুম মেলারমাঠে স্টেজিং এরিয়া তৈরি করে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সাব্রুম মহকুমার মহকুমা শাসক শিবজ্যোতি দত্ত, মহকুমা প্রশাসনের ডিসিএম অরণ্যজয় চাকমা, ডিসিএম মনোজ প্রভাকর পাল, ডিসিএম মনোজিত দেববর্মা, ডিসিএম জয়শঙ্কর দাস, ডিসিএম রতন দাস, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক নিত্যানন্দ সরকার সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ। পোয়াংবাড়ি ব্লকের বিডিও দীপক দাস মেরুপাড়ায়, সাতচাঁদ ব্লকের বিডিও অনুপম দাস শ্যামসিং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, রূপাইছড়ি ব্লকের বিডিও প্রীতম দেবনাথ ও অতিরিক্ত বিডিও টিটু দেববর্মা বৈষ্ণবপুরে এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ এই মেগা মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। এই মহড়া পরিচালনায় বিভিন্ন দপ্তর, ভলান্টিয়ার টিম, আপদামিত্র এবং স্থানীয় জনগণ অংশ নেন। মহড়া শেষে সাব্রুম মহকুমার মহকুমা শাসক শিবজ্যোতি দত্ত বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদেরকে নিয়ে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের আধিকারিকদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেগা মহড়া নিয়ে আলোচনা করেন। মহড়ায় বিপর্যয়ের সময় দুর্গতদের উদ্ধারকার্য, শরণার্থীদের সুনিশ্চিত আশ্রয় প্রদান, ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন, বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন, পানীয়জলের সুবন্দোবস্ত করা প্রভৃতি বিষয় হাতে কলমে দেখানো হয়।

পশ্চিম জেলার ১২টি স্থানে ভূমিথুস ও বন্যা মোকাবিলা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ সারা রাজ্যের সাথে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ভূমিধস ও বন্যা মোকাবিলা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। আগরতলায় হয় মূল মেগা মহড়া। এই মহড়ায় স্টেজিং এরিয়া রাখা হয় হাঁপানিয়া মেলা প্রাঙ্গণের মাল্টিপারপাস হল। এই স্টেজিং এরিয়ায় সকাল সাড়ে সাতটায় জেলা প্রশাসন, অগ্নি নির্বাপক ও জরুরী পরিষেবা, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, পূর্ত দপ্তর, আসাম রাইফেলস, পানীয়জল, স্বাস্থ্য, পুলিশ, বিদ্যুৎ, বিএসএফ, সিআরপিএফ, এনএসএস, এনসিসি-র জওয়ানগণ সহ প্রায় ১৫০০ জন উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখানে থেকে সকলে নির্দিষ্ট মহড়া স্থানে পৌছান। আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসকের কার্যালয়ে পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানান।
এই মহড়া অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন এনডিএমএ থেকে মেজর জেনারেল সুধীর বাহি (রিটায়ার্ড) এবং রাজস্ব দপ্তরের সচিব ব্রিজেশ পান্ডে। এছাড়াও স্টেজিং এরিয়া এবং মহড়া স্থানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, মহকুমা শাসক সহ দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিগণ। জেলাশাসক জানান, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় মোট ১২টি স্থানে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ভূমি ধুসের মহড়া অনুষ্ঠিত হয় মান্দাই ব্লকের ডনবস্কো স্কুলে, বেলবাড়ি ব্লকের সতীশ ব্রিক ফিল্ডে এবং হেজামারা ব্লকের সুবল সিং এই তিনটি স্থানে। বন্যা মোকাবিলার বিষয়ে মহড়া হয় পূর্ব নোয়াগাঁও, গামছা কোবরা ভিলেজ, বড়জলা বীনাপানি দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়, রাধাছড়া পঞ্চায়েত, ভাগলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের লেক, বিদ্যাসাগর লেক, আনন্দনগর বোট পার্কে, এমবিবি কলেজ লেকে এবং আইজিএম হাসপাতালে। এই মহড়া অনুষ্ঠানে আইজিএম হাসপাতালকে নোডাল হাসপাতালে পরিণত করা হয়। মহড়া অনুষ্ঠানটি প্রত্যেক জওয়ান এবং আধিকারিক ও উপস্থিত সকলের প্রচেষ্টায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

ধর্মনগরে বন্যা ও ভূমিধুস মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যা ও ভূমিধুস মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া আজ ধর্মনগরে অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মনগরের মোট চারটি স্থানে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মনগর পুর পরিষদের শিববাড়ি এলাকায় বন্যা বিষয়ক মহড়ায় আইসিপি কমান্ডার ছিলেন পুর পরিষদের ডেপুটি সিইও অমরচান বিশ্বাস, কদমতলা ব্লকের কুর্তি তহশীল এলাকায় বন্যা বিপর্যয় মহড়ায় আইসিপি কমান্ডার ছিলেন কদমতলা ব্লকের বিডিও সঞ্জীব দেবনাথ, যুবরাজনগর ব্লকের বৈঠাৎবাড়ি এলাকায় ভূমিধস বিষয়ক মহড়ায় আইসিপি কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন যুবরাজনগর ব্লকের বিডিও প্রসেনজিৎ মালাকার, কালাছড়া ব্লকের ইচাইটুলগাও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাছে বন্যা বিষয়ক মহড়ায় আইসিপি কমান্ডার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন কালাছড়া ব্লকের বিডিও নারায়ণ দেবনাথ। মহড়ার জন্য স্টেজিৎ এরিয়া করা হয় ধর্মনগর মহকুমা শাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ। স্টেজিং এরিয়ার ইনচার্জ ছিলেন ডিসিএম জিনিয়াস দেববর্মা। ধর্মনগরের এই মহড়ায় চারটি স্থানেই রিলিফ ক্যাম্প করা হয়। চারটি রিলিফ ক্যাম্পে মোট ৭৫ জনকে রাখা হয়। পুলিশ, টিএসআর, বিএসএফ, ফায়ার সার্ভিস, মেডিক্যাল টিম, আপাদ মিত্র, সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ারগণ এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। আপতকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে কিভাবে দুর্গতদের উদ্ধার করা হয়ে থাকে, কোথায় যোগাযোগ করতে হয় ইত্যাদি বিষয়ে সাধারণ মানুষ জানতে পেরেছেন আজকের এই মহড়ার মাধ্যমে।

তেলিয়ামুড়ায় বন্যা ও ভূমিধুস মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা মোকাবিলার লক্ষ্যে তেলিয়ামুড়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ এক মেগা মহড়ার আয়োজন করা হয়। মহকুমার তিনটি ব্লকের ৬টি স্থানে পৃথকভাবে এই মহড়া পরিচালিত হয়। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভূমিধস ও বন্যার সময় দ্রুত এবং সমন্বিতভাবে উদ্ধার কাজে দক্ষতা বৃদ্ধি করা। মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের ৩৬ মাইল ও ৪৩ মাইল এলাকায় ভূমিধস সংক্রান্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়ায় দেখানো হয় কিভাবে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সময় মানুষকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর, আহতদের উদ্ধার এবং জরুরী পরিষেবা প্রদান করা যায়।
অপরদিকে, তেলিয়ামুড়া ব্লকের চালিতাবাড়ি এবং তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের অন্তর্গত দশমীঘাট প্রাঙ্গণে বন্যা মোকাবিলা সংক্রান্ত মহড়া পরিচালিত হয়। একই সাথে কল্যাণপুর ব্লকের কুচপাড়া ও মরগাংপাড়া এলাকাতেও বন্যা মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এসব মহড়ায় উদ্ধার, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, অস্থায়ী ত্রাণ শিবির স্থাপন ইত্যাদি কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয়।

করবুকে বন্যা ও ভূমিধুস মোকাবিলায় মহড়া অনুষ্ঠিত
করবুক মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ভূমিধস ও বন্যা মোকাবিলার উপর এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। করবুক মহকুমার তীর্থমুখে ও কাজাসি মগ পাড়ায় মহড়াটি হয়। স্টেজিং এরিয়া গঠন করা হয় করবুক মহকুমা অফিস প্রাঙ্গণে। মহড়াতে বন্যা ও ভূমিধসের পূর্বে, দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে এবং দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বাঁচানোর জন্য কি কি করণীয় তা মহড়ার মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় মহকুমা শাসক শ্যামজয় জমাতিয়া, মহকুমা ডিসিএমগণ, ব্লকের বিডিও সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ, আরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকগণ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারিবৃন্দ মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।

খোয়াইয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী খোয়াই মহকুমার এয়ারপোর্ট মাঠে স্ট্যাজিৎ এরিয়া গঠন করে খোয়াই মহকুমার পদ্মবিল ব্লকের বেলফাৎ, তুলাশিখর ব্লকের পশ্চিম বাচাইবাড়িতে ভূমি ধুসের উপর মহড়া প্রদর্শন করা হয় ও ভূমিধুসে কিভাবে উদ্ধারকার্য চালাতে হয় তা হাতে কলমে ট্রাস্ক ফোর্সের কর্মীগণ করে দেখান। একই সাথে মহকুমার জামিরা পাড়া, খোয়াই দশমীঘাটে ও নামা পাড়ায় খোয়াই নদীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও আহতদের কিভাবে উদ্ধার করতে হয় তা হাতে কলমে প্রদর্শন করে দেখানো হয়। মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা শাসকদ্বয় অভিজিৎ চক্রবর্তী ও অতিরিক্ত জেলাশাসক অভেদানন্দ বৈদ্য, খোয়াই মহকুমার মহকুমা শাসক শীর্ষেন্দু দেববর্মা, জিলা পরিষদের সদস্য সচীব রূপাশুন দাস, ডিস্ট্রিক্ট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম অফিসার সংহিতা সরকার প্রমুখ। অনুষ্ঠিত মহড়ায় ১২ জন পর্যবেক্ষক, ৫টি টাক্সফোর্সের ১৫০ জন, ৭০ জন সিভিল ডিফেন্স সদস্য-সদস্যা, ৫০ জন আপদা মিত্র সহ, অগ্নি নির্বাপক কর্মীগণ, সিআরপিএফ, বিএসএফ, টিএসআর, আরক্ষা সহ বিভিন্ন কার্যালয়ের কর্মীগণ অংশ নেন।

বিলোনীয়ায় ১২টি ত্রাণ শিবিরে ৭৫৭ জন অশ্রয় নিয়েছেন
গতকাল অবিশ্রান্ত ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে বিলোনীয়া মহকুমার বিভিন্ন স্থানে জল জমে যায় এবং বাড়িঘরেও জল প্রবেশ করে। মহকুমা ও জেলা প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে আটকে পরা দুর্গত লোকদের উদ্ধারে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। মহকুমা প্রশাসন থেকে ত্রাণ শিবির খোলা হয়। বর্তমানে বিলোনীয়া মহকুমায় মোট ১২টি ত্রাণশিবিরে ২৩১ টি পরিবারের ৭৫৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ৩৩৬ জন, মহিলা ৩৪১ জন এবং শিশু ৮০ জন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনভিত্তিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গতকাল রাতে ৮টি শিবিরে ১৭ ১টি পরিবারের মোট ৫৪১ জন আশ্রয় নিয়েছিল। তারমধ্যে ২৩১ জন মহিলা, ২১৮ জন পুরুষ এবং শিশু ৯৩জন। বিলোনীয়া মহকুমা শাসকের কার্যালয় থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

সোনামুড়ায় ৫টি স্থানে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ সোনামুড়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং সিপাহীজলা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সোনামুড়া মহকুমার রাজঘাট-১, রাজঘাট-২, পূর্ব চন্ডীগড়, পোয়াংবাড়ি এবং তেলকাজলাস্থিত লোহার ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়াগুলোতে বন্যা ও ভূমিয়স সহ যে কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে এবং দুর্যোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের বাঁচানোর জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, সামাজিক সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবক ইত্যাদি দলের কি কি করনীয় তা মহড়ার মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। নলছড় ব্লকের বিডিও সুশান্ত চক্রবর্তী, মোহনভোগ ব্লকের বিডিও শ্রীকান্ত চক্রবর্তী এবং কাঁঠালিয়া ব্লকের বিডিও অভিজিৎ কুমার দাস, সোনামুড়া মহকুমা প্রশাসনের দুর্যোগ মোকাবিলা ব্যবস্থাপনার শাখা আধিকারিক তথা ডিসিএম প্রবীর সাহা, মহড়াগুলি পরিচালনা করেন। টিএসআর ১১ নং ব্যাটেলিয়ন, বিএসএফ-এর ৮১ নং ব্যাটেলিয়ন, পুলিশ কর্মীগণ, ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি, সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার্স, এনএসএস ভলান্টিয়ার্স, স্বাস্থ্য দপ্তর, অগ্নিনির্বাপক সহ অন্যান্য দপ্তর ও স্থানীয় জনগণ মহড়ায় অংশ গ্রহণ করেন।

কাঞ্চনপুরে ৪টি স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ সারা রাজ্যের সঙ্গে কাঞ্চনপুর মহকুমায় মোট ৪টি স্থানে প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ ভূমিধুস ও বন্যা মোকাবিলা বিষয়ে এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। কাঞ্চনপুর মহকুমার ডাকবাংলো সংলগ্ন স্থানে বন্যা মোকাবিলা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। দশদা ব্লকের অন্তর্গত সুভাষনগর ভিলেজের ওজন ও পরিমাপ দপ্তরের অফিস সংলগ্ন স্থানে ভূমি ধুসের উপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। লালজুরি ব্লকের অন্তর্গত ব্লক অফিস সংলগ্ন স্থানে ভূমিধসের উপর মহড়া অয়োজিত হয়। জম্পইহিল ব্লকের অন্তর্গত তাকসি ভিলেজে ভূমিধসের উপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনপুর মহকুমা বিপর্যয় শাখার আধিকারিক তথা ডিসিএম রাজীব ভট্টাচার্য্য, তিন ব্লকের বিডিওগণ, মহকুমার ডিসিএমগণ, আরক্ষা, টিএসআর, বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিগণ, ভলান্টিয়ার টিম এবং আপদা মিত্র সদস্যরা।

পানিসাগরে ৪টি স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত
রাজ্যভিত্তিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ ভূমিধস ও বন্যা মোকাবিলার বিষয়ে মহড়া আজ পানিসাগর মহকুমার মোট ৪টি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। পানিসাগর মহকুমায় পানিসাগর মৎস্য তত্বাবধায়ক কার্যালয় প্রাঙ্গনে, জলাবাসা বাজার প্রাঙ্গনে, পানিসাগর নগর পঞ্চায়েতের ১১নং ওয়ার্ড, পানিসাগর নগর পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডে বন্যা ও ভূমিধসের উপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন পানিসাগর মহকুমার মহকুমা শাসক সুশান্ত দেববর্মা, মহকুমা ডিসিএমগণ, ব্লকের বিডিওগণ ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ, ভলান্টিয়ার টিম এবং আপদা মিত্র সদস্যরা।

কৈলাসহরে ৪টি স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলা মহড়া অনুষ্ঠিত
আজ সকালে কৈলাসহর মহকুমার কাতলদীঘির পাড়, আরজিএম হাসপাতাল, শ্রীরামপুর এইচ এস স্কুল, লক্ষীপুর পঞ্চায়েত অফিস, চিনিবাগান বাজার ও সেন্ট জেভিয়ার্স হাইস্কুল এলাকা জুড়ে বন্যা ও ভূমিধস সংক্রান্ত বিষয়ে এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এই মহড়ায় সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার আপাদামিত্র, টি এস আর জাওয়ান, বি এস এফ, অগ্নিনির্বাপক, মেডিক্যাল টিম, বিদ্যুৎ, পূর্ত দপ্তর সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। মহড়ায় ইন্সিডেন্ট কমান্ডার হিসেবে ছিলেন কৈলাসহর মহকুমার মহকুমা শাসক প্রদীপ সরকার।