জাতীয় মৎস্য চাষি দিবসে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী মৎস্য চাষিদের অটল নিষ্ঠার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন: ডঃ সুকান্ত মজুমদার

অনলাইন ডেস্ক, ১০ জুলাই, ২০২৫: কেন্দ্রীয়   শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, জাতীয় মৎস্য চাষি দিবস হল ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করে তোলা, মাছ-ভিত্তিক প্রোটিনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী মৎস্য চাষিদের অটল নিষ্ঠার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন।

ব্যারাকপুরের আইসিএআর-সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিসারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউট (সিআইএফআরআই)-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডঃ মজুমদার বলেন, তাঁদের প্রয়াস কেবল লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকা নির্বাহে সাহায্য করাই নয়, সুস্থায়ী জলজ চাষ এবং একটি সমৃদ্ধশালী নীল অর্থনীতির লক্ষ্যে দেশের দৃষ্টিভঙ্গিতেও এটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারের উদ্যোগ, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা করেন ।

পাশাপাশি, নাবার্ড এবং গ্রামীণ ব্যাঙ্কিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঋণের সুবিধার কথাও জানান। তিনি যুব সম্প্রদায়কে মৎস্য চাষ ক্ষেত্র অন্বেষণে উৎসাহিত করেন। নতুন চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।  তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেশের ১৬টি রাজ্যে সেরা মৎস্য চাষিদের তাঁদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান জানান। তিনি আইসিএআর-সিআইএফআরআই-এর পুস্তিকাও প্রকাশ করেন। তাঁর উপস্থিতিতে সিআইএফআরআই এবং বিভিন্ন মৎস্য চাষ সমবায়ের মধ্যে সমঝোতাপত্র সাক্ষরিত হয়, যা এই ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে। অনুষ্ঠানে আইসিএআর-সিআইএএফআরআই-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর তথা উপাচার্য ডঃ রবিশঙ্কর সি.এন এবং আইসিএআর-সিআইএফআরআই-এর অধিকর্তা ডঃ বি কে দাস-ও উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫৭ সালের এই দিনেই অভ্যন্তরীণ জলজ চাষ ক্ষেত্রে বিপ্লব নিয়ে এসেছিলেন অধ্যাপক ডঃ হীরালাল চৌধুরি এবং তাঁর সহকর্মী ডঃ কে এইচ আলিকুনি। তাঁদের অবদানকে সম্মান জানিয়ে এবং স্মরণ করে জাতীয় মৎস চাষি দিবস ২০২৫ উদযাপন করা হচ্ছে। এই দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করে তোলা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে মৎস্য চাষিদের অমূল্য অবদানকে স্বীকৃতি জানানো।

 

PIB