মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচি, মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগ ও সহায়তার আশ্বাস পেয়ে ফিরে গেলেন সাহায্য প্রত্যাশীরা

অনলাইন ডেস্ক, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫: ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাহায্য প্রত্যাশীদের সাথে আজও সরাসরি কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। এই কর্মসূচির আজ ৫৮তম পর্বে মূলতঃ চিকিৎসা বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে প্রত্যাশীগণ আর্জি জানান। মান্দাইনগরের বিশ্বজিৎ দেববর্মা এসেছিলেন, তার নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের চিকিৎসায় সহায়তার প্রত্যাশা নিয়ে। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তিনি ছেলের চিকিৎসা করতে পারছেন না জেনে মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে জিবি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা ছাড়াও সমাজকল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে তার ছেলের মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।

নয় বছর বয়স্ক মেয়ের চিকিৎসার জন্য পূর্ব শিবনগর কালীটিলার অজিত সাহা, দুর্গা চৌমুহনীর ঋষিপল্লীর গোবিন্দ ঋষিদাস, বাগমার সুরজ মিঞা প্রত্যেকেই তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সহায়তার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সুপারের সাথে কথা বলে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ঔষধপত্র দেবার ব্যবস্থার নির্দেশ দেন। রাজ্যের কৃতী জিমনাস্ট সঙ্গীতা দেবের পিতা উত্তম কুমার দেব এসেছিলেন মেয়ের চিকিৎসায় সহায়তার জন্য।

মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে ক্রীড়া দপ্তরের সচিব ড. পি. কে. চক্রবর্তীর সাথে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। একইভাবে আজ নাগেরজলার নমিতা পাল, আগরতলার এইচ. বি. রোডের রেশমী ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সহায়তার আর্জি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগ ও সহায়তার আশ্বাস পেয়ে প্রত্যেকেই সন্তোষ ব্যক্ত করেন।
আজ মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সচিব ড. পি. কে. চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে, সমাজ কল্যাণ দপ্তরের সচিব তাপস রায়, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা, জিবি হাসপাতালের সুপার ডা. শঙ্কর চক্রবর্তী প্রমুখ।

Recent Posts