অনলাইন ডেস্ক, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অখন্ডতা রক্ষায় ত্রিপুরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ভৌগোলিক দিক দিয়েও ত্রিপুরার অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্রিপুরার যুব শক্তির একটা অংশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের মধ্য দিয়ে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। সেক্ষেত্রে এ রাজ্যের প্রাক্তন সৈনিকদের পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিতে হবে। আজ আগরতলার মিলিটারি স্টেশনে আয়োজিত প্রাক্তন সৈনিকদের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু একথা বলেন।
তিনি বলেন, এই রাজ্যের যুবকদের মধ্যে অনেকেই সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্বপ্ন দেখছেন। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সেবা, ত্যাগের কাহিনী বর্ণনা করে এবং নিজেদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এই রাজ্যের প্রাক্তন সেনানীরা তরুণ প্রজন্মের কাছে দেশ সেবার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে পারেন। রাজ্যপাল বলেন, সৈন্যদের দেশ সেবার লড়াইয়ে বীর নারীরা এক অনন্য ভূমিকা নিয়ে থাকেন। সেনাবাহিনীর সদস্যরা যখন সীমান্তে দেশের জন্য লড়াইয়ে নিজেদের নিয়োজিত রাখেন তখন বীর নারীরা সেনা সদস্যদের ঘরের লড়াই একা হাতে সামাল দেন।
তাদের এই ভূমিকা সমাজ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখে থাকে। রাজ্যপাল বলেন, প্রাক্তন সৈনিক এবং তাদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এক সময় যারা দেশ সেবার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাদের স্বাস্থ্য, আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে সরকার নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। অনুষ্ঠানে লেফটেন্যান্ট জেনারেল অভিজিৎ এস, পান্দুলকরও বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ৭৩ মাউন্টেন ব্রিগেডের কমান্ডার ভি.এস.এম. ব্রিগেডিয়ার ধীরাজ সিং।
৫৭ মাউন্টেন ডিভিশনের জি.ও.সি. ভি.এসএম মেজর জেনারেল শুভঙ্কর বসু, আসাম রাইফেলস (ইস্ট)-এর আইজি, মেজর জেনারেল ইন্দ্রজিৎ সিং ভিন্ডা, ২১ আসাম রাইফেলসের সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার নিশান্ত চান্দেল, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল কয়েকজন প্রাক্তন সৈনিক এবং বীর নারীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। রাজ্যপাল অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রদর্শনী মন্ডপ ঘুরে দেখেন।








