অনলাইন ডেস্ক, ১৩ মার্চ, ২০২৬: আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসামের গুয়াহাটির জ্যোতি বিষ্ণু ইন্টারন্যাশনাল কালচার্যাল সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিজিট্যাল পদ্ধতিতে বোতাম টিপে পিএম কিষাণ সন্মান নিধি’র ২২তম কিস্তি প্রদান করেন। সারা দেশে ৯ কোটি ৩২ লক্ষেরও বেশি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৮ হাজার ৬৩০ কোটি টাকারও বেশি সরাসরি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। আজ আগরতলার অরুন্ধতিনগরস্থিত এগ্রিকালচার রিচার্স স্টেশনে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনার পর মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সারা দেশের মতো রাজ্যেও প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষেরই বাস গ্রামাঞ্চলে। তাদের মধ্যে বৃহৎ অংশই কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। দেশ ও রাজ্যের জিডিপি-র উপর কৃষিক্ষেত্রেরও বিশেষ প্রভাব রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশ ও রাজ্যগুলির কৃষকগণ ঋণের ভারে যেন জর্জরিত না হন সেই লক্ষ্যেই পিএম কিষাণ সহ বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির কৃষি সহ প্রতিটি ক্ষেত্রের উন্নয়নে বিশেষ জোর দিয়েছেন। রাজ্যে পিএম কিষাণ প্রকল্পে ২২তম কিস্তিতে মোট ২ লক্ষ ৮৫ হাজারেরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ প্রদান করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যায় রাজ্য সরকারেরও অন্যতম লক্ষ্য কৃষকদের স্বনির্ভর ও আত্মনির্ভর করে তোলা। রাজ্য সরকার সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সহযোগিতায় এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়তে চায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের নানা সমস্যার সমাধান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতার জন্য। আজ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ ও বিধায়ক মিনারাণী সরকার। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতির এগ্রি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, কৃষি দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ফনীভূষণ জমাতিয়া সহ কৃষি দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ।








