অনলাইন ডেস্ক, ২২ এপ্রিল, ২০২৬: বুইসু উৎসব মানে শুধুমাত্র ফসল তোলা বা নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং এই উৎসব রাজ্যের জনজাতি অংশের মানুষের সাংস্কৃতিক ভাবধারারও প্রতীক। গতকাল গন্ডাছড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ২৪তম রাজ্যভিত্তিক বুইসু উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে একথা বলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেডি নান্নু। এই উৎসবের যৌথভাবে আয়োজন করেছে ত্রিপুরা চুবালাই বুথু এবং ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল ত্রিপুরা চুবালাই বুথু-এর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এটি এমন এক প্রতিষ্ঠান যা পারম্পরিক সংগীত, নৃত্য ও মৌখিক ইতিহাসের ধারাকে সংরক্ষণ করে ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে বজায় রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এই সাংস্কৃতিক ধারাকে বহন করে নিয়ে যাওয়ার জন্য যারা অতীতে এবং বর্তমানেও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানানোর পর উৎসব প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিভিন্ন দপ্তরের প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন। তিনি ধনঞ্জয় ত্রিপুরার রচিত বুইসু ম্যাগাজিন-এর আবরণ উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ রামপদ জমাতিয়া বুইসু উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং জনজাতি সম্প্রদায়গুলিকে তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের জন্য উৎসাহিত করেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সঞ্জয় মানিক ত্রিপুরা, ত্রিপুরা চুবালাই বুথু-এর সভাপতি ধীরেন্দ্র ত্রিপুরা ও সচিব তরণীসেন ত্রিপুরা, ত্রিপুরা সমাজ নারন বীরেন্দ্র ত্রিপুরা, ধলাই জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক পার্থ দাস, পুলিশ সুপার দেশাই রুমিকেশ জয়সিং প্রমুখ। লোক ভবন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।









