এগিয়ে চলো সংঘে রক্তদান শিবির, রক্তদান কর্মসূচিতে বর্তমানে রাজ্যে এক নবজাগরণের সৃষ্টি হয়েছে : মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ০১ অগাস্ট, ২০২৬: রক্তদান কর্মসূচিতে বর্তমানে রাজ্যে এক নবজাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। রক্তদানের মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিকতার ভাব তৈরি হওয়ার পাশাপাশি রক্তদাতা ও গ্রহীতাদের মধ্যে গড়ে উঠে এক সুমধুর সম্পর্ক। তাই রক্তদানে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। আজ মেলারমাঠস্থিত এগিয়ে চলো সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানব ধর্মের অন্যতম দৃষ্টান্ত হলো রক্তদান। রক্তদানের মাধ্যমেই একজন মুমূর্ষ রোগীকে বাঁচিয়ে তোলা যায়। তাই রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনকে বেশি করে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে হবে।

রক্তদানের পাশাপাশি রক্ত সংরক্ষিত করার উপরও গুরুত্বারোপ করতে হবে। প্রয়োজন অনুসারে ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে রক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, রাজ্যে একটা সময় ক্লাব সংস্কৃতিকে উশৃঙ্খলতার পরিবেশ বজায় থাকত। বর্তমানে ক্লাবগুলির মধ্যে সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়াও ক্লাবগুলির বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রবণতা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা সমাজের জন্য মঙ্গলজনক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে। এর সুফল শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষ পাচ্ছেন।

রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নের ফলেই বর্হিঃরাজ্যে রেফারেল রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অনুষ্ঠানে আগরতলা পুর নিগমের ৩৪নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর জাহ্নবী দাস বক্তব্য রাখতে গিয়ে এগিয়ে চলো সংঘের এই সেবামূলক কাজের প্রশংসা করেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এগিয়ে চলো সংঘের সম্পাদক সুমন্ত গুপ্ত, সভাপতি চঞ্চল নন্দী প্রমুখ। রক্তদান শিবিরে আগরতলা পুর নিগমের ৩২নং ওয়ার্ড এবং ৩৪নং ওয়ার্ডের ৩ জন সাফাই কর্মীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী সংবর্ধনা স্বরূপ তাদের প্রত্যেকের হাতে ৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। মুখ্যমন্ত্রী সহ অতিথিগণ রক্তদান শিবিরটি পরিদর্শন করেন এবং রক্তদাতাদের উৎসাহিত করেন।

Recent Posts

এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালের ২২তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এজিএমসি শুধু চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রেই নয়, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং সুপার স্পেশালিটি পরিষেবার ক্ষেত্রেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে

পঞ্চম রাজ্যভিত্তিক কুরাস (কুস্তি) ও দক্ষিণ জেলাভিত্তিক নেশামুক্ত ফুটবল প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী, নেশার বিরুদ্ধে রাজ্যে সামাজিক গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে