অনলাইন ডেস্ক, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে আজ ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ এর জেলাভিত্তিক কর্মসূচি নিয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা ডা. বিশাল কুমার ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ। জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার সভায় জানান, সেবা সংকল্প অভিযান হল ২০২৬ সালের একটি মাসব্যাপী জনসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বাস্তবায়ণ। সারা দেশের সাথে রাজ্যেও এই অভিযান আগামী ১৭সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
সভায় পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার জানান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় উজ্জয়ন্ত প্যালেস গেইটে ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই অভিযানের সূচনা করা হবে। এই কর্মসূচিতে পশ্চিম জেলায় (উজ্জয়ন্ত প্যালেস সহ) ২৫ হাজার প্রদীপ জ্বালানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এদিন একই সময়ে জেলার প্রতিটি ব্লক কার্যালয়, মহকুমা শাসক কার্যালয়, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর প্রাঙ্গণেও প্রদীপ জ্বালানো হবে। তিনি জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর উজ্জয়ন্ত প্যালেস প্রাঙ্গণে মূল অনুষ্ঠানটির সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা।
জেলাশাসক জানান, মাসব্যাপী এই অভিযানে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর অভিযানের সূচনাপর্ব, আশীর্বাদ কা দিয়া, অঙ্গন মিলন সেবা। এই কর্মসূচিতে মা ও শিশু আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কেন্দ্র করে আয়োজিত হবে। এখানে শিশুদের জন্য বসে আঁকো থেকে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। তাদের মধ্যে কমিক্স বুক ও পিএম লেটার বিতরণ করা হবে। অভিভাবকদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আমন্ত্রণ জানানো হবে। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে। জেলাশাসক জানান, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর জেলাশাসক কার্যালয়ে এই অভিযানের অঙ্গ হিসাবে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হবে। এতে তিনি সকলকে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান।
পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীলও সভায় সমস্ত দপ্তরের অধিকর্তা ও আধিকারিকদের এই কর্মসূচিকে সফল করে তোলার কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসেবার ২৫ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে বিশেষ উদ্যোগ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনসেবা ও উন্নয়নকে সমাজের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত পৌছে দিতে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে।









