অনলাইন ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: সরকারের যে সমস্ত উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও জনকল্যাণমূলক পরিষেবা রয়েছে, সেগুলির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য ও দায়িত্ব। সরকারি কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমেই মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সাধারণ সভায় সমবায়মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া একথা বলেন। জিলা পরিষদের এই সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক স্বপ্না দেববর্মা, বিধায়ক মিনারাণী সরকার, বিধায়ক গোপাল রায়, জিলা পরিষদের বিভিন্ন সদস্য সদস্যাগণ, জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যানগণ, ব্লকের বিডিওগণ ও বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ। সভায় জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, খাদ্য, কৃষি, মৎস্য, উদ্যান, জলসম্পদ, পানীয়জল ও জনস্বাস্থ্য, পূর্ত, গ্রামোন্নয়ন, শ্রম, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা ইত্যাদি দপ্তরের প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ দপ্তরের বাস্তবায়িত উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি নিয়ে পর্যালোচনা করেন।
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণও সভায় নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। সমবায়মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া বলেন, সরকার নীতি নির্ধারণ করে থাকে। সেই নীতিকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা আধিকারিকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি বলেন, সমস্ত সরকারি প্রকল্প ও কাজের সুবিধাগুলি দ্রুত বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সভায় সমবায় দপ্তরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, রাজ্যে সমবায় সমিতিগুলিকে আরও সক্রিয়ভাবে বহুমুখী কর্মসূচির সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের আগে রাজ্যের অধিকাংশ সমবায় সমিতিগুলিই লোকসানে চলতো।
বর্তমানে পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়াতে আরও নতুন করে সমবায় সমিতি, ল্যাম্পস, প্যাকস গঠন করা হয়েছে এবং পুরোনো সমিতিগুলিকেও নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে। এতে মানুষের আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সভার সভাপতি জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল ও জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করেন। বিধায়ক স্বপ্না দেববর্মাও সভায় মান্দাই এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজগুলি নিয়ে আলোচনা করেন এবং অসমাপ্ত কাজগুলি দ্রুত শেষ করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিধায়ক গোপাল রায়ও পানীয়জল, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বৈদ্যুতিক পরিষেবার উন্নয়ন, গ্রামীণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়গুলির কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে সভায় বক্তব্য রাখেন।









