ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আগরতলা সিভিল হাসপাতালের উদ্বোধন, উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১২ জুলাই, ২০২৬ : রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার আর্থিকভাবে দুর্বল অংশের মানুষদের স্বচ্ছ ও অত্যাধুনিক কর্পোরেট ধাঁচে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে চায়। সরকার মানুষের কল্যাণে উন্নয়নমূলক যে কাজের কথা চিন্তা করে তা বাস্তবায়িত করে দেখাচ্ছে। আজ আগরতলা পুরনিগম এলাকার জ্যাকসন গেইট সংলগ্নে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আগরতলা সিভিল হাসপাতালের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক এই সিভিল হাসপাতাল চালুর ফলে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা সম্প্রসারণে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

এই হাসপাতাল চালুর ফলে বিভিন্ন কাজে আগরতলার বাইরে থেকে আগত মানুষরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। এই সিভিল হাসপাতাল গড়ে তুলতে ব্যয় হয়েছে ২০.৩৭ কোটি টাকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মহারাণী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিন্তাধারার সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বাস্থ্য পরিষেবাকেও ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উন্নয়নমূলক কাজ রাজনৈতিক স্বার্থে নয় মানুষের কল্যাণে রূপয়িত হয়। সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন সরকার শুধু শহরাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না।

বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা, মহকুমাগুলিতেও অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে। এডিসি এলাকাতেও নতুন নতুন হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই গড়ে তোলা হবে ট্রমা সেন্টার। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের লক্ষ্য রাজ্যের ১৯টি পুর এলাকাতেও একটি করে অত্যাধুনিক সিভিল হাসপাতাল গড়ে তোলা।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন অধিকাংশ চিকিৎসাই ত্রিপুরাতে সম্ভব হচ্ছে। রাজ্যের যে কোনও রোগীই টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দিল্লি এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন। তাছাড়াও রাজ্যে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথি কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে।

Recent Posts

টিআইএফটি’র ওয়াররুমে বর্ষাকালীন দুর্যোগ মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি প্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে পরিকল্পিত উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণের উপর মুখ্যমন্ত্রীর গুরুত্ব আরোপ