অনলাইন ডেস্ক, ২৮ জুলাই, ২০২৬: তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাজ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আজ আগরতলায় একটি হোটেলে একটি রাজ্যস্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা এবং শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়। কর্মশালার উদ্বোধন করে তিনি বলেন, তামাক সেবন শুধু একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, তার পরিবার ও সমাজের জন্যও ক্ষতিকর। তাই তামাকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে তামাকের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, ত্রিপুরা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্ণা দেববর্মা, ভলান্টারি হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অফ ত্রিপুরার সভাপতি ডা. শ্রীলেখা রায়, ন্যাশনাল টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, ত্রিপুরার স্টেট প্রোগ্রাম অফিসার ডা. শুক্লা দেববর্মা এবং ভলান্টারি হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অফ ত্রিপুরার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। তাঁদের উপস্থিতি কর্মশালাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। কর্মশালায় তামাক সেবনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ, ক্যান্সার এবং অন্যান্য ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি কর্মস্থলে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দপ্তর ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকরা জানান, এই ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে রাজ্যজুড়ে তামাকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে একটি সুস্থ, সচেতন ও তামাকমুক্ত ত্রিপুরা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরা থেকে এক প্রেস রিলিজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।









