নির্যাতিত মহিলাদের পাশে সমস্ত সহায়তা নিয়ে দাঁড়াতে হবে : জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

অনলাইন ডেস্ক, ২৯ জুলাই, ২০২৬: মহিলাদের সুরক্ষিত রাখার জন্য যে সমস্ত আইনি বিধান রয়েছে সেগুলি যথাযথ প্রয়োগ করার জন্য জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকর পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আজ উদয়পুর সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি মহিলাদের সুরক্ষার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন অনেক মহিলা নির্যাতনের শিকার হয়েও নিজের এবং পরিবারের অন্যান্যদের কথা চিন্তা করে আইনি সহায়তা নিতে আসেন না। সেক্ষেত্রে পুলিশের অনেক দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। এ সমস্ত ক্ষেত্রে ওয়ান স্টপ সেন্টারগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি বলেন, কোনও মহিলা বা মেয়ে যদি পারিবারিক হিংসার কারণে বাড়িঘর ছাড়া হয়, তবে তাকে সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের প্রাথমিক কর্তব্য। তার সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হয়ে পুলিশকে যথাযথভাবে তার পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। এজন্য মহিলাদের সুরক্ষার বিষয়ে যে সমস্ত আইনি বিধান রয়েছে সে সম্পর্কে পুলিশকে যথাযথভাবে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায় পরিবারের মহিলারা নির্যাতিত হলে এর প্রভাব পরিবারের ছোটদের উপরও গিয়েও পড়ে। তাই এই সংবেদনশীল বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক হয়ে পুলিশ সহ প্রশাসনকে ভূমিকা নিতে হবে।

বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্ণা দেববর্মা, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের বিশেষ সচিব তপন কুমার দাস, গোমতী জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা রিংকু লাথের, গোমতী জেলার পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাস, জেলার বিভিন্ন মহকুমার মহকুমা শাসকগণ, ব্লকের বিডিও এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিকগণ। বৈঠকের শুরুতে গোমতী জেলার জেলাশাসক মহিলা স্বশক্তিকরণের ক্ষেত্রে জেলার মহিলাদের অগ্রগতি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। রিপোর্টটি সম্পর্কে অবহিত হয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এছাড়া জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকর মাতাবাড়ি ব্লকের বিপিআরসি হলে স্বসহায়ক গোষ্ঠীগুলির লাখপতি দিদি এবং রাজ্য ও জাতীয় স্তরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত মহিলাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মিলিত হন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন ঝর্ণা দেববর্মা, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান শিল্পী দাস প্রমুখ।

Recent Posts