অনলাইন ডেস্ক, ৩১ জুলাই, ২০২৬: পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সহযোগিতায় আজ সকালে মুক্তধারা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় গুরু পূর্ণিমা উৎসব। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, মানুষের জীবনে প্রথম গুরু হলেন নিজেদের মাতা-পিতা। তাদের স্নেহ, মমতা ও আদর্শের স্পর্শেই আমাদের জীবনের প্রথম পাঠের সূচনা হয়। জীবন যত এগিয়ে চলে ততই আমাদের গুরুর পরিধি বিস্তৃত হতে থাকে। শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রবীণ ব্যক্তি, অভিজ্ঞ ব্যক্তি এবং জীবনের নানা পর্যায়ে যাদের সংস্পর্শে আমরা জ্ঞান ও মূল্যবোধের শিক্ষা গ্রহণ করি তারাও আমাদের গুরু।
গুরুদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা, কৃষজ্ঞতা ও প্রণাম জানান। মাতা-পিতার সঙ্গে গুরুজনদেরও শ্রদ্ধা নিবেদন করলেই গুরু পূর্ণিমা উদযাপন যথার্থভাবে সার্থক হবে। অনুষ্ঠানে ইসকনের মঠ রক্ষক শ্রীদাম গোবিন্দ দাস বলেন, ভারতীয় সংস্কৃতিতে গুরু কেবল জ্ঞানদাতা নন, তিনি মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মানবিকতার পথপ্রদর্শক। অনুষ্ঠানে আগরতলা জগন্নাথ জিও মন্দিরের ত্রিদন্তি ভিক্ষু ভক্তি কমল বৈষ্ণব মহারাজ, পদ্মশ্রী নরেশ চন্দ্র দেববর্মা, দ্রোনাচার্য বিশ্বেশ্বর নন্দীও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের সহ অধিকর্তা অমৃত দেববর্মা। এ উপলক্ষ্যে পদ্মশ্রী নরেশ চন্দ্র দেববর্মা, দ্রোনাচার্য বিশ্বেশ্বর নন্দী, শ্রী চৈতন্য গৌড়ীয় মঠ শ্রী জগন্নাথ জিও মন্দিরের বৈষ্ণব মহারাজ ত্রিদন্তি ভিক্ষু ভক্তি কমল এবং আগরতলা ইসকন মঠ রক্ষক শ্রী দাম গোবন্দ দাসকে গুরু সম্মাননা দেওয়া হয়। গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে সকালে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিগণ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার শিল্পীগণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।









