রোগীদের আস্থার নতুন ঠিকানা– ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আগরতলা সিভিল হাসপাতাল

অনলাইন ডেস্ক, ০১ অগাস্ট, ২০২৬: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আগরতলা সিভিল হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেছেন।উন্নত পরিকাঠামোর পাশাপাশিচিকিৎসক, নার্সিং অফিসার এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের ফলে রোগীদের আস্থা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জনসাধারনেরস্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আজ(১ আগস্ট, ২০২৬) আগরতলা ধলেশ্বরের বাসিন্দাকাঞ্চন চট্টোপাধ্যায় (৬১)প্রথমবারের মতো ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি আগরতলা সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করতে আসেন। চোখের সমস্যার চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালের চক্ষুরোগ ডিপার্টমেন্টের চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞচিকিৎসক ডাঃ অমিত কুমার দাসেরপরামর্শ নেন। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করেন।চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি বলেন, এই হাসপাতাল সম্পর্কে শুনেছিলাম, কিন্তু আজ প্রথমবার এসে যা দেখলাম, তা সত্যিই অসাধারণ। প্রথমে রিসেপশন সেকশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন।

এরপর বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এখানকার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্তরিকতার সঙ্গে পরিষেবা প্রদান করছেন। হাসপাতালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সত্যিই প্রশংসনীয়। অপরজন আগরতলা চন্দ্রপুরের বাসিন্দাচিরঞ্জিত পাল(৩০)তিনি চর্মরোগজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের চর্মরোগ ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞচিকিৎসক ডাঃ অন্বেষা রায় বর্ধনের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করেন। চিকিৎসক তাঁর সমস্যাগুলো মনোযোগ সহকারে শুনে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়নের পর ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি জানান, এখানকার চিকিৎসা পরিষেবা,চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক ব্যবহারে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

এছাড়া আগরতলা বনমালীপুরের রত্না রায় (৫৫)প্রথমবারের মতো এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি হাসপাতালের জেনারেল মেডিসিন ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞচিকিৎসক ডাঃ উত্তম কুমার বর্মনের পরামর্শ গ্রহণ করেন। চিকিৎসক তাঁর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান।চিকিৎসা গ্রহণের পর শ্রীমতি রায় এবং তাঁর স্বামী এই হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি হাসপাতালের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনাএবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আচরণের প্রশংসা করেন।স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

Recent Posts

এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালের ২২তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এজিএমসি শুধু চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রেই নয়, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং সুপার স্পেশালিটি পরিষেবার ক্ষেত্রেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে

পঞ্চম রাজ্যভিত্তিক কুরাস (কুস্তি) ও দক্ষিণ জেলাভিত্তিক নেশামুক্ত ফুটবল প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী, নেশার বিরুদ্ধে রাজ্যে সামাজিক গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে