অনলাইন ডেস্ক, ০৩ আগস্ট, ২০২৬:কৃষি হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষির উপর নির্ভর করেই এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের উন্নয়ন। তাই আমাদের সরকারের সর্বাধিক অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হলো কৃষি। কুমারঘাট মহকুমায় আজ দুটি গ্রামীণ কৃষি মার্কেট, উদ্যান ও ভূমি সংরক্ষণ দপ্তরের ঊনকোটি জেলার উপঅধিকর্তার কার্যালয়ের নবনির্মিত ভবন, নতুন সুসংহত বীজ প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট ও আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধন করে তিনটি জনসভায় একথা বলেন কৃষি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ। বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ এদিন কুমারঘাট বিদ্যুৎ ডিভিশনের ত্রিতল ভবনেরও শিলান্যাস করেন। বেতছড়া ও নদিয়াপুরে গ্রামীণ কৃষি মার্কেটের নতুন ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা করে। জগন্নাথপুরে সুসংহত বীজ প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এছাড়া জগন্নাথপুরে আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরের নতুন ভবনেরও উদ্বোধন করা হয়। কুমারঘাটে ঊনকোটি জেলার উদ্যান ও ভূমি সংরক্ষণ কার্যালয়ের ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৭৯ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে, কুমারঘাটে বিদ্যুৎ ডিভিশনের ত্রিতল ভবনের নির্মাণের জন্য ব্যয় হবে ৫ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা।
এ উপলক্ষ্যে কুমারঘাটের মোটরস্ট্যান্ডের উল্টোদিকে, জগন্নাথপুর ও নদিয়াপুরে পৃথক তিনটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, রাজ্যে কৃষি ক্ষেত্র থেকে আমাদের আয় হয় সর্বাধিক। গ্রামীণ এলাকায় কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত ফসল সহজেই বাজারে বিক্রি করতে পারেন তারজন্য বর্তমান সরকারের সাড়ে ৮ বছরের সময়কালে মোট ২০৪টি গ্রামীণ কৃষি মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য অন্নদাতা কৃষকদের আয় বাড়ানো। রাজ্য সরকারও কৃষকদের স্বার্থে নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করছে। তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নিয়ে রাজ্য সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়তে আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে। সরকারের এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে তিনি সব অংশের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
জগন্নাথপুর ও নদিয়াপুরের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে সুসংহত বীজ প্রক্রিয়াকরণ ও গ্রামীণ কৃষি মার্কেট আগামীদিনে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতিকে মজবুত করবে। জনসভাগুলিতে এছাড়া বক্তব্য রাখেন বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস, এমডিসি ধীরেন্দ্র দেববর্মা, ঊনকোটি জিলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস প্রমুখ। সভাগুলিতে উপস্থিত ছিলেন কুমারঘাট পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন বিশ্বজিৎ দাস, উদ্যান ও ভূমি সংরক্ষণ দপ্তরের অধিকর্তা ড. ফণীভূষণ জমাতিয়া, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার স্বপন কুমার দাস প্রমুখ।









