আগরতলা-করিমগঞ্জ-আগরতলা মেমো (ইলেকট্রিক) ট্রেন পরিষেবার সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির মাধ্য,মে ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে রেল যোগাযোগ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভুত উন্নয়ন হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক, ৪ জুলাই, ২০২৬: রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই তৈরি করা হবে ডাবল রেললাইন ট্রিট্র্যাক। ইতিমধ্যেই তার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বাধারঘাটস্থিত আগরতলা রেলস্টেশনে আগরতলা-করিমগঞ্জ-আগরতলা মেমো (ইলেকট্রিক) ট্রেন পরিষেবার সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজাগুলির মধ্যে ত্রিপুরায় প্রথম এই মেমো ট্রেন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। তাই আজকের দিনটি রাজ্যের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৬৪ সালে রাজ্যে প্রথম রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সূচনা হলেও দীর্ঘ বছর এর উন্নয়ন ঘটেনি। দেশের পূর্বতন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীজি ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণকে জাতীয় প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করেন। ফলে ১৯৯০ সালে ধর্মনগর থেকে কুমারঘাট পর্যন্ত এবং ২০০৮ সালে আগরতলা পর্যন্ত রেল যোগাযোগের সম্প্রসারণ ঘটে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির মাধ্যমে ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে রেল যোগাযোগ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে। রাজ্যে বর্তমানে ২৭০ কিমি রেললাইন সম্প্রসারণ হয়েছে। পাশাপাশি রাজা থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে নতুন নতুন দূরপাল্লার ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় রাজ্যে রেল পরিকাঠামোর উন্নয়নেরও কাজ চলছে। আগরতলা স্টেশনকে আরও আধুনিক করে তোলার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্যের যাত্রীদের সুবিধার লক্ষ্যেই ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করা হয়েছে।

এরজন্য কোন আন্দোলন করতে হয়নি। রাজ্যের যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত, আধুনিক ও সম্প্রসারিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লামডিং ডিভিশনের ডিআরএম সমীর লোহানী, পরিবহণ দপ্তরের সচিব উত্তম কুমার চাকমা, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিগণ সবুজ পতাকা নেড়ে আগরতলা থেকে করিমগঞ্জ পর্যন্ত এই মেমো ট্রেনটির যাত্রার সূচনা করেন।

Recent Posts

আগরতলা-করিমগঞ্জ-আগরতলা মেমো (ইলেকট্রিক) ট্রেন পরিষেবার সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির মাধ্য,মে ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে রেল যোগাযোগ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভুত উন্নয়ন হয়েছে