আগরতলা প্রেস ক্লাবে রক্ত বন্ধন উৎসবে মুখ্যমন্ত্রী, সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসেবে যুবসমাজকে রক্তদানে আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে

অনলাইন ডেস্ক, ৪ জুলাই, ২০২৬: রক্তদান হল মহৎ দান। একজন ব্যক্তির দান করা রক্তে তিনজন রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব। তাই সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসেবে যুবসমাজকে রক্তদানে আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে। আজ আগরতলা প্রেসক্লাবে ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিম জেলা কমিটির বিশেষ অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত রক্ত বন্ধন উৎসবের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহাএকথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নানা আধুনিক ও উন্নত পদ্ধতি অবলম্বন করে রক্ত গ্রহণ করা হয়।

এক্ষেত্রে রক্তদানের সময় রক্তদাতার হাইপারটেনশন, ব্লাড সুগার ইত্যাদি স্ক্রিনিং করা হয়। ব্লাড ব্যাংকের সুবিধা বর্তমানে মহকুমা স্তরের হাসপাতালেও রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাকেও এই ধরনের রক্তদান শিবির আয়োজনের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংবাদ মাধ্যমেরও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। রাজ্যের উন্নয়নে সংবাদ মাধ্যমেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংবাদ মাধ্যম সরকার এবং জনগনের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করছে। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ রাজ্য সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার ইতিমধ্যেই নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজ্যে সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওতায় আনা হয়েছে।

রাজ্যের সাংবাদিকদের আরও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, রক্তদানের কোন বিকল্প নেই। তাই মানবতার সেবায় সবাইকে রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে। পর্যটন মন্ত্রী বলেন, রাজ্যের বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের নানা প্রয়োজন, দাবি এবং সমস্যা নিরসনে যথেষ্ট আন্তরিক। অনুষ্ঠানে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আগরতলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক প্রণব সরকার, বরিষ্ঠ সাংবাদিক সুবল কুমার দেএবং ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুনীল দেবনাথ। রক্তদান শিবিরে মোট ২১ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।

Recent Posts

আগরতলা-করিমগঞ্জ-আগরতলা মেমো (ইলেকট্রিক) ট্রেন পরিষেবার সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অ্যাক্ট ইস্ট পলিসির মাধ্য,মে ত্রিপুরা সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে রেল যোগাযোগ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রভুত উন্নয়ন হয়েছে