রাজ্যে সমস্ত পূজাই জাতি-জনজাতি সমস্ত অংশের মানুষ উদযাপন করে থাকে : মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক,৪ আগস্ট, ২০২৬: আজ আগরতলায় রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী কের পুজো পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী পুজো কের পুজো। শৈশব থেকেই আমরা এই কের পুজোর ধর্মীয় আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। ককবরক ভাষায় কেরের অর্থ হচ্ছে একটা গণ্ডি। অর্থাৎ এই গণ্ডির বাইরে কেউ যেতে পারবে না এবং গণ্ডির বাইরে থেকে কেউ ভেতরে ঢুকতে পারবে না। এমনটাই ছিল রীতি। এই প্যালেস কম্পাউন্ডে ঐতিহ্যবাহী পুজো হয়।

আগে সারা ত্রিপুরায় হতো। ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে রাজবাড়ির ভেতরে নির্দিষ্ট ব্যারিকেডের মধ্যে এখন এই পুজোর আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, কের মানেই বাস্তু পুজো। রাজন্য আমল থেকেই এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ত্রিপুরার মানুষের সুখ শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করা। যাতে কোন মহামারি, রোগব্যাধি, বন্যা, বিপর্যয় ইত্যাদির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় – সেই উদ্দেশ্যে এই পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোন পুজোই হোক, জাতি জনজাতি সকল অংশের মানুষ মিলে উদযাপন করি আমরা।

এরমধ্যে একটা আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায় যে আমরা সবাই এক। আমাদের সরকার আসার পর জনজাতিদের পুজো কিংবা রাজন্য আমলের পুজোগুলিকে সম্মান প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেছি। এরআগে কিন্তু এমনটা দেখা যায় নি। গত বছরও সাড়ম্বরে আমরা এই পুজোর আয়োজন করেছি। এই ঐতিহ্যবাহী কের পুজো উপলক্ষে আমি সমস্ত ত্রিপুরাবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। আর আমরা সবাই মিলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা প্রয়াস, সবকা বিশ্বাস এর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যাবো। সবাই আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো – এই প্রত্যাশা করি। এই উপলক্ষে আয়োজিত কার্যক্রমে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপিন দেববর্মা সহ জনজাতি অংশের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।