অনলাইন ডেস্ক, ২১ মে, ২০২৬:ডোপিং কার্যক্রমকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা সংক্রান্ত প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের পরামর্শ ও মতামতের জন্য যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রক জনসমক্ষে প্রকাশ করেছে।
ফলাফল ভালো করার জন্য নিষিদ্ধ ওষুধের পাচার, বেআইনী সরবরাহ, প্রয়োগ ও বাণিজ্যিক বিতরণে জড়িত সংগঠিত চক্রের মোকাবিলা করা এই প্রস্তাবিত কাঠামোর লক্ষ্য।
প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর লক্ষ্য হলো নিষিদ্ধ পদার্থ ও পদ্ধতির পাচার, অননুমোদিত বিক্রয় ও বিতরণ; ডোপিংয়ের উদ্দেশ্যে ক্রীড়াবিদদের নিষিদ্ধ পদার্থ প্রয়োগ; অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে নিষিদ্ধ পদার্থ সরবরাহ; ডোপিংয়ের সঙ্গে যুক্ত সংগঠিত অপরাধ ও বাণিজ্যিক কার্যকলাপ; নির্ধারিত লেবেলিং ছাড়া নিষিদ্ধ পদার্থ বিক্রয়; এবং ডোপিংকে উৎসাহিত করে এমন বিজ্ঞাপন ও অর্থের বিনিময়ে প্রচারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা।
তবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পাচার, সংগঠিত চক্র ইত্যাদির মতো প্রস্তাবিত ফৌজদারি অপরাধে জড়িত নন এমন ক্রীড়াবিদদের শুধুমাত্র ডোপিং-বিরোধী নিয়ম লঙ্ঘন বা ডোপিং পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার কারণে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে না। তাদের ক্ষেত্রে বর্তমান ডোপিং-বিরোধী বিধিনিয়মই প্রযুক্ত হবে।
এই কাঠামোর আওতায় বৈধ থেরাপিউটিক ইউজ এক্সাম্পশন প্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের এবং জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতিতে ক্রীড়াবিদের জন্য নিষিদ্ধ পদার্থ/পদ্ধতির বৈধ ব্যবহার করা সৎ চিকিৎসকদের জন্যও সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি খেলাধুলায় ডোপিং আটকাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (UNECITO) কনভেনশনের অধীনে ভারতের অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বিশ্ব ডোপিং-বিরোধী সংস্থা (WADA)-র সমর্থিত পদ্ধতির সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ।
সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে ১৮.০৬.২০২৬ তারিখের মধ্যে গণপরামর্শ প্রক্রিয়ার সময় প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর উপর তাদের মন্তব্য ও পরামর্শ জমা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।








