অনলাইন ডেস্ক, ০১ মে, ২০২৬: জাতীয় প্রাণী রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় খুরা রোগ প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচির অষ্টম পর্যায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। উষাবাজার ভেটেরিনারি ডিসপেনসারির অধীন দীঘালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী সুধাংশু দাস। অনুষ্ঠানে প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের সচিব দীপা ডি. নায়ার, দপ্তরের অধিকর্তা ডা. এন. কে. চঞ্চল, অতিরিক্ত অধিকর্তা সহ দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে দীঘালিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সদস্যাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, প্রাণীপালকদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতে রাজ্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা রূপায়ণ করছে। প্রাণীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত টিকাকরণ কর্মসূচি রূপায়ণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, খুরা রোগ গবাদি প্রাণীর একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগে সংক্রামিত হলে প্রাণীর ওজন কমে যাওয়া, প্রজননজনিতে সমস্যা তৈরি, দুধ উৎপাদন হ্রাস প্রভৃতি হয়ে থাকে। তাতে প্রাণীপালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় এবং প্রাণীপালকগণ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
এই রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাকরণ করার জন্য তিনি প্রাণীপালকদের প্রতি আহ্বান জানান। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন দপ্তর নিয়মিতভাবে খুরা রোগ বা এফ.এম.ডি. টিকাকরণ কর্মসূচি রূপায়ণ করছে। তার ফলে রাজ্যে প্রাণীসম্পদের স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। এই টিকাকরণ অভিযানের আওতায় চার মাস বা তার বেশি বয়সী সুস্থ গরু ও মহিষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হয়।
প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের প্রশিক্ষিত ও অনুমোদিত টিকাকরণ দল সারা রাজ্যে এই কর্মসূচি পরিচালনা করবে। যে সব গবাদি পশুর আগে ট্যাগিং করা হয়নি সেগুলির ট্যাগিং করা হবে এবং ১২ সংখ্যার নম্বর দেওয়া হবে, যা প্রাণী সনাক্তকরণ ও রোগ পর্যবেক্ষণে সাহায্য করে। প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।









